Recents in Beach

মিস্টার খ্যাত 😯 ,,,,,,,,,❤❤❤❤❤❤,,,,,,, লেখকঃমিনহাজুল ইসলাম নিল 🙄🙄🙄🙄🙄🙄 পর্বঃ২

মিস্টার খ্যাত 😯
,,,,,,,,,,,,,,,,
লেখকঃমিনহাজুল ইসলাম নিল
🙄🙄🙄🙄🙄🙄
পর্বঃ২
,,,,,,,,,এরপর রাফি দেওয়া ফুল নিয়ে রাইসার সামনে
গিয়ে হাঁটু গেড়ে রাইসার সামনে গোলাপ ফুল ধরে এক নিশ্বাসে বললাম আই লাভ ইউ রাইসা
,,,,,,,,,,,,
ঠাস ঠাস ঠাস
রাইসাঃতোর সাহস কি করে হয় আমাকে প্রপোজ করার
আমি তাই তোমাকে ভালোবাসি তাই
রাইসা ঃ নিজের চেহারাটা কখন আয়নায় দেখেছিস।
তোকেতো দেখে ফকিরের চ*** মনে হয়।
আর কখনো তোকে আমার সামনেও না দেখি
এরপর আমি মাথা নিচু করে রাইসার সামনে থেকে চলে এলাম
রাফিঃ কিরে দোস্ত কি হলো
আমিঃসব খুলে বললাম
রাফি হয়তো তোর সম্বন্ধে কিছুই জানেনা
আমিঃ হুম
রাফি দোস্তকে চেঞ্জ দরকার
আমিঃ আর কয়েকটা দিন যাক নিজেকে তৈরি করে নিন
রাফিঃ তুই যা ভালো মনে করিস
এরপর আমি বাসায় চলে এলাম ট্রাফিকে বিদায় জানিয়ে
মাঃ কিরে বাবা তোর মন খারাপ কেন
আমিঃ আমি একটা মেয়েকে ভালোবাসি সে মেয়েটাকে আজকে প্রপোজ করেছি তাই সে আমাকে অপমান করেছে আমি এরকম থাকি বলে
মাঃ ঠিকই তো করেছে এরকম চেহারা নিয়ে কোন মেয়েকে ভালোবাসি বলে কেউ
আমিঃ মা তুমিও
মাঃহুম
আমিঃ মা খিদে পাচ্ছে খেতে দাও
মাঃ ওকে তুই ফ্রেশ হয়ে আয়
আমিঃওকে মা
এরপর আমি ফ্রেশ হয়ে এসে খাওয়া দাওয়া করে মাঠে খেলতে গেলাম
যাওয়ার পথে দেখি রাইসা রনির বাইকে করে ঘুরতেছে
আমাকে দেখে রনি বাইক থামালো
রনিঃ কিরে খ্যাত তুই নাকি রাইসা কে প্রপোজ করেছিলি।
আরে আগে এ স্মার্ট হও আর তোরা যে গরিব তুই এবার স্মার্ট হবে কি করে তোদের তো প্যান্ট শার্ট কেনার টাকা পয়সা নেই
আমি আর কিছু না বলে খেলার মাঠে খেলতে গেলাম
খেলা শেষ করে এসে বাসায় বাবার কাছে কিছু টাকা নিয়ে মার্কেটে গেলাম
গিয়ে সবার মতোই দামি দামি প্যান্ট শার্ট কিনলাম। এরপর হেয়ার স্টাইল এগিয়ে চুলের কাট দিলাম
অতঃপর বাসায় চলে আসলাম
মাঃকে এটা আমার ছেলে নাকি
আমিঃহ্যাঁ মা কেন কি হয়েছে
আয়নায় গিয়ে দেখ তারপর বুঝিস
এরপর আমি রুমে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সত্যিই আমি নিজেই নিজেকে চিনতে পারলাম না
এরপর দিন কলেজে গেলাম না, না গিয়ে ওই শার্ট প্যান্ট গুলো পড়ে ঘুরতে লাগলাম রাফির সঙ্গে
আর অন্যদিকে রাইসা ভাবছে খ্যাত ছেলেটা বুঝি আর কলেজে আসবে না ওকে যে অপমান করেছি এসব নিয়ে ওরা বন্ধুমহলে হাসি-ঠাট্টা করছিল
আর এদিকে আমি রাফির সঙ্গে ঘোরাঘুরি শেষ করে বাবাকে ফোন দিলাম
আমিঃ বাবা
বাবাঃহুম বল
আমিঃ আমার কিছু টাকা লাগবে
বাবাঃকত টাকা বাবা
আমিঃ তিন লাখ টাকা
বাবাঃ টাকা চাইছি দিব কিন্তু কোনদিন তো তুই এত টাকা চাস নি কি করবি টাকা দিয়ে
আমিঃ বাবা বাইক কিনবো
বাবাঃ তুই কোথায় আছিস সেটা বল
আমিঃ সুমি বাইক সেন্টারে
বাবাঃ তুই থাক আমি নিজে গিয়ে তোকে সবচেয়ে দামি বাইক কিনে দিবো
আমিঃ ওকে বাবা তাড়াতাড়ি আসো
এরপর আমি আর রাফি মিলে কিছুক্ষণ বাইক সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার পর দেখলাম বাবা কারে করে আসলো
এরপর আমি বাবা আর রাফি হল বাইক সেন্টারে ঢুকলাম
বাবাঃ কোনটা বাইক নিবি
আমিঃ বাবা অ্যাপাচি আর টি আর
বাবাঃ ওকে
এরপর বাবা আমাকে বাইক কিনে দিয়ে বলল তুই সোজা বাসা চলে যাবি আর আমি অফিস থেকে আসছি
অতঃপর আমি আর রাফি বাইক নিয়ে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করে সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফিরলাম
মাঃ কিরে নীল তুই বাইক কোথায় পেলি
আমিঃ আজকে এইটা কিনছি
মাঃ টাকা পেলি কোথায়
আমিঃ মা-বাবার থেকে নিয়েছি
মাঃ তা হঠাৎ এত পরিবর্তন কিসের জন্য
আমিঃ ও তুমি বুঝবে না মা
মাঃ বুঝি বুঝি আমি সবই বুঝি বাবা (মুচকি হেসে)
আমিঃওকে তুমি সব বুঝো খেতে দাও তো খিদা লাগছে
আমি খেতে বসব এমন সময় দেখলাম বাবা মিষ্টি নিয়ে বাসায় ঢুকলো
মাঃ কিগো মিষ্টি কিসের জন্য
বাবাঃ কেন তুমি জাননা
মাঃ না তো
বাবাঃ সত্যি তুমি কিছু জানো না
মাঃ বললাম তো না
বাবাঃ তুমি কি রাফির কোন কিছু পরিবর্তন দেখা নেই
মাঃ দেখেছি তো আজকে দেখলাম বাইকে কিনে নিয়ে আসছে
বাবাঃ হুম রাফির এই পরিবর্তনের জন্য মিষ্টি নিয়ে এসেছি
মাঃ তাই বুঝি
বাবাঃ হুম
এরপর আমি মিষ্টি খেয়ে খাওয়া-দাওয়া করে রুমে এসে ঘুমিয়ে পরলাম
খুব সকালে নিলারে ডাকে ঘুম ভেঙ্গে গেল
নিলাঃ ভাইয়া আজকে তুই তোর নতুন বাইকে করে আমাকে কলেজ নিয়ে যাবে
আমিঃওকে পাগলী
আমিঃ বোন বাবা টি কিছু টাকা নিয়ে দেনা পকেট আমার কোন টাকা নেই
নিলাঃ ওকে তুই ফ্রেশ হয়নি আমি বাবার থেকে টাকা নিয়ে আসি
এরপর আমি ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিলে গেলাম
বাবাঃ তুই নীলাকে কেন পাঠাচ্ছিস টাকার জন্য
আমিঃ না বাবা কাল অনেক টাকা নিলাম তাই আজকে লজ্জা করেছে টাকা চাইতে
বাবাঃ পাগল ছেলে তুই যে টাকা নিয়েছিস তার 100 ভাগের এক ভাগ টাকাও তুই এখনো নিস নি
আমিঃ হুম
বাবাঃ কত টাকা লাগবে
আমিঃ 500 টাকা হলেই চলবে
বাবাঃ ওকে যাওয়ার সময় তোর মার কাছ থেকে নিয়ে যাস
আমিঃ ওকে বাবা
এরপর খাওয়া-দাওয়া শেষ করে রুমে এসে কলেজ যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছি
এমন সময় মা আমার রুমে আসলো
মাঃ এই নে ধর
আমিঃ এটাতো1000 টাকা
মাঃ হুম তোর বাবা এক হাজার টাকা দিয়েছে
এরপর আমি তৈরি হয়ে টাকা নিয়ে বাইক নিয়ে নীলার জন্য অপেক্ষা করছে
একটু পর নিলা আসল
নীলাঃ ভাইয়া চল
আমিঃ ওকে
এরপর আমি বাইক স্টার্ট করে নিলাকে ওর কলেজের সামনে নামিয়ে দিয়ে আমার কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম
কলেজে ঢোকার মাত্র মাত্র সবাইতো অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে আছে
,,,,
আমি গিয়ে রাফির সময় বাইক থামালাম
রাফিঃ কিরে দোস্ত সেই হিরো লাগতেছে
আমিঃ ফাজলামো করিস না
রাফিঃ দোস্ত দেখ সবাই দেখে কিভাবে অবাক চোখে দেখছে
আমিঃ হুম তাই তো দেখছি
এরপর দেখলাম রাইসা কলেজে আসলো এসে আমার দিকে চেয়ে রইলো হয়তো প্রথমে আমাকে চিনতে পারেনি পরে যখন রাফিরঃ সঙ্গে আমাকে দেখেছে তখন হয়তো ঠিকই চিনে ফেলেছে
একটু পর রাইসা আমার কাছে আসলো
রাইসাঃ তুমি সেই খ্যাত নিল না যে আমাকে পরশুদিন প্রপোজ করেছিল
আমিঃ হুম ঠিকই চিনেছেন
রাইসাঃ তা হঠাৎ এত পরিবর্তন কি করে আর এটা বাইক কার
আমিঃ এটা আমার বাইক আমার বাবা নিল এন্ড নীলা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ এর মালিক
রাইসাঃ তা তুমি এত আগে খ্যাত হয়েছিলা কেন
আমিঃ আমাকে বড়লোকি চালচলন একদম ভালো লাগে না শুধু তোমার জন্য আজ এত পরিবর্তন হলাম
রাইসাঃ তাহলে কি সত্যি তুমি আমাকে ভালোবাসো
আমিঃ হুম ভালোবাসতাম কিন্তু এখন বাসি না
রাইসাঃ কেন
আমিঃ তার অনেক কারণ আছে।
রাইসাঃ ও
আমিঃ ওকে বাই ভালো থাকবেন
রাইসাঃ কেন আর কথা বলবা না
আমিঃ না
রাইসাঃ কেন
আমিঃ কারণ আগে তুমি আমার সঙ্গে কথা বলতে না সেদিন কথা বলছিলাম তার জন্য থাপ্পড় মারছিল এখন কেন কথা বলতে চাও আমারে স্মার্টনেস দেখে
রাইসাঃ না
আমিঃ তাহলে কি
রাইসাঃ জানিনা তবে কলেজে প্রথম ঢুকিয়ে যখন তোমাকে দেখলাম তখন আমি মনে করেছিলাম অন্য কোন ছেলে তোমাকে প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলেছি
আমিঃ ও ঠিক আছে
একথা বলে আমি ক্লাসে চলে আসলাম রাফি আমার পাশে বসে আছে আর সবাই এসে আমার সঙ্গে পরিচয় হচ্ছে কিন্তু যখন আমি আমার আসল পরিচয় দেই তখনই সবাই অবাক হয়ে যায়
কিছু মেয়ে এসো আমার সঙ্গে ফ্রেন্ডশিপ করল
একটু পর ক্লাসে স্যার আসলো
স্যারঃ কে তুমি কলেজে নতুন মনে হচ্ছে
আমিঃ না স্যার আমি পুরাতন স্টুডেন্ট নীল
স্যারঃ তো তোমার হঠাৎ এত পরিবর্তন
আমিঃস্যার আর আনস্মার্ট থাকতে ভালো লাগে না
স্যারঃ ওকে সবাই কেলাসে মন দাও
এরপর সকল ক্লাস করে মাঠে বসে আছি আমি আর রাফি
একটু পর রিংকি তামান্না এবং তানিশা আমার পাশে এসে বসলো
এরা হলো আজকে আমার নতুন ফ্রেন্ড
ভাবতেই অবাক লাগছে যারা আমাকে দেখে থুতু দিতে আজকে তারাই আমার পাশে এসে বসেছে
রিংকিঃ আচ্ছা নীল তুমি আগে এত আনস্মার্ট ছিলে কেন
আমিঃ আনস্মার্ট থাকতেই আমাকে ভালো লাগে
তামান্নাঃ তা আজ তো স্মার্ট যে
আমিঃ সবাই অপমান করে ঘৃনার চোখে দেখে তাই আজ থেকে স্মার্ট হয়ে চলবো
তানিশাঃ তোমাকে প্রথম দেখেই তো ক্রাশ খেয়ে গেছি
আমিঃ একসময় তো আমাকে দেখলে ঘৃণা করতো
তানিশাঃ আগের সব কথা ভুলে যাবা এখন থেকে আমরা সবাই তোমার ফ্রেন্ড আগের কোনো কথা আমাদের মাঝে আনবা না হবে
আমিঃ ওকে
এরপর আমি আড্ডা উঠে বাসায় আসব রাফিঃ বলল আরেকটু থাক
আমিঃ নারে দোস্ত মা বকবে
রাফিঃ ওকে যা তাহলে
আমি উঠব এমন সময় দেখি রাইসা আমার সামনে
রাইসাঃ আমাকে নিয়ে যাও তো
আমিঃ কেন রকিকে বল
রাইসাঃ তোমাকে বলছি তুমি নিয়ে যাবা
আমিঃ সরি আমি পাব না আমি একটা ক্ষ্যাত ছেলে আমার বাইকে উঠলে তোমার মান সম্মান যাবে
রাইসাঃ প্লিজ নীল আমাকে মাফ করে দাও
আমিঃ ওকে মাফ করে দিলাম
রাইসাঃ থ্যাংক ইউ এখন আমাকে নিয়ে যাও
আমিঃ স্যরি নিয়ে যেতে পারবো না তবে মাফ করে দিছি এটাই অনেক
এরপর দেখলাম রাইসা মন খারাপ করে চলে যাচ্ছে
অতঃপর আমি বাইকে স্টার্ট করে চলে যাচ্ছি
বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়লাম
কারো ফোনের বাজনায় আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল
আমিঃহ্যালো আসসালামু আলাইকুম
সালামের উত্তর আসলো
আমিঃ কে বলছেন
ওপাশ থেকে বলল আমি রাইসা
আমিঃ তো ফোন দিয়েছো কেন
রাইসাঃ কথা বলার জন্য
আমিঃ সরি আমি তোমার সঙ্গে কথা বলতে পারবো না মাফ করে দিও
বলে ফোন কেটে দিলাম
অতঃপর ঘুম থেকে উঠে খাওয়া দাওয়া করে নিলাকে নিয়ে শপিংয়ে গেলাম কারণ কথা ছিলো নিলাকে শপিংয়ে নিয়ে যাব
নীলা শপিং করছে অন্যদিকে রাইসা ওর বান্ধবীর সঙ্গে সঙ্গে এসেছে
রাইসা আমাকে দেখে এগিয়ে আসলো
কিন্তু ওরা এসে আমার সঙ্গে কথা না বলে নীলা সঙ্গে কথা বলল
রাইসাঃ আরে নীলা তুমি
নীলাঃহ্যাঁ আপু আমি শপিং এসেছি তুমি এখানে
রাইসাঃ আমিওতো শপিং দিয়ে এসেছি
এরপর রাইসা আমাকে দেখিয়ে বলল এই তোমার কি হয়
নীলাঃ আমার ভাইয়া
ও এটা তোমার ভাই আগে বলুন তো
নীলাঃ আসলে ভাইয়া আগে আমার সঙ্গে কোথাও যেতো না কারণ ভাইয়া আগে অনেক আনস্মার্ট ছিল এবং বাসা থেকে বেশি বের হতো না
রাইসাঃ হুম আমি ওকে চিনি
নীলাঃ কিভাবে
রাইসাঃ আমাদের কলেজে পড়ে তোমার ভাইয়া
নীলাঃ ও তাই
রাইসাঃ হুম
নীলা ভাই আবার রাগ করবে আমি গেলাম
রাইসাঃ ওকে
নীলাঃ চলে আসলো
আমিঃ তুই ওকে কি ভাবে চিনিস
নিলাঃ ভাইয়া ওই আপুটার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয়
আমিঃ ওকে চল তোর শপিং হয়েছে না
নিলাঃ হুম ভাইয়া চল
এরপর আমি নীলাকে নিয়ে বাসায় চলে আসলাম
,,,,,,,,,,,,😍😍😍😍😍😍,,,,,,,
চলবে

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ