বখাটে
8⃣ম পর্ব
Sûmøñ Ãl-Fãrâbî
.
তানজু মন খারাপ করে ছাদেই দাঁড়িয়ে রইলো। আমি চলে আসলাম।
পরের দিন দুপুরে নেতার ছেলেকে রকি আর রাজ কিছু ছেলে পাঠিয়ে তুলে এনেছে ।
মামার দোকানে বসে সিগারেট টানছি।
ফোনটা কেঁপে উঠল
রকি ফোন করছে ।
8⃣ম পর্ব
Sûmøñ Ãl-Fãrâbî
.
তানজু মন খারাপ করে ছাদেই দাঁড়িয়ে রইলো। আমি চলে আসলাম।
পরের দিন দুপুরে নেতার ছেলেকে রকি আর রাজ কিছু ছেলে পাঠিয়ে তুলে এনেছে ।
মামার দোকানে বসে সিগারেট টানছি।
ফোনটা কেঁপে উঠল
রকি ফোন করছে ।
আমিঃ হ্যাঁ রকি বল
রকিঃ ভাই নেতার ছেলেকে তুলে এনেছি ।
রকিঃ ভাই নেতার ছেলেকে তুলে এনেছি ।
আমিঃ তোরা এখন কোথায় আছিস?
রকিঃ ক্লাব ঘরের পিছনের রুমে ।
রকিঃ ক্লাব ঘরের পিছনের রুমে ।
আমিঃ তোরা থাক আমি আসছি।
ফোনটা কেটে দিয়ে বাইক নিয়ে চলে আসলাম ক্লাব ঘরের পিছনের রুমে ।
নেতার ছেলেকে দেখে শরীরটা জলন্ত আগুনের মতো জ্বলতে লাগলো।
কোনো কথা না বলেই আগে গিয়ে ওর গালে একটা সজোরে থাপ্পড় বসিয়ে দিলাম ।
নেতার ছেলেকে দেখে শরীরটা জলন্ত আগুনের মতো জ্বলতে লাগলো।
কোনো কথা না বলেই আগে গিয়ে ওর গালে একটা সজোরে থাপ্পড় বসিয়ে দিলাম ।
আমিঃ কুত্তার বাচ্চা তোর সাহস হয় কি করে তুই আমায় এট্যাক করিস। এই রকি এর মুখের বাঁধন খুলে দে।
রকি এসে মুখের কাপড় টা খুলে দিলো।
নেতার ছেলেঃ তুই আমাকে তুলে এনে ঠিক করিস নি আব্বু জানতে পারলে তোর শেষ চিহ্ন টাও বেঁচে থাকবে না ।
আবার একটা থাপ্পড় দিলাম ।
আমিঃ তোর বাপের ঘারে কয়টা মাথা আছে আমার সামনে এসে লড়তে বলিস। ফোন দে তোর ঐ চার কুত্তার বাচ্চা কে ।
নেতার ছেলের সামনে ওর পকেট থেকে ফোনটা বের করে এগিয়ে দিয়ে সিগারেট ধরালাম ।
ও ফোনটা হাত দিয়ে ধরলোও না। ওর কোলের উপরে ফোনটা পড়ে আছে ।
ওর এমন আচরণ দেখে রাগটা আরও বেড়ে গেল ।
জলন্ত সিগারেট ওর হাতে লাগিয়ে দিলাম ।
যন্ত্রণায় ও চিৎকার করে উঠলো।
ও ফোনটা হাত দিয়ে ধরলোও না। ওর কোলের উপরে ফোনটা পড়ে আছে ।
ওর এমন আচরণ দেখে রাগটা আরও বেড়ে গেল ।
জলন্ত সিগারেট ওর হাতে লাগিয়ে দিলাম ।
যন্ত্রণায় ও চিৎকার করে উঠলো।
আমিঃ ফোন দে
নেতার ছেলেঃ ওরা বাইরের ছেলে তোকে মারার জন্য নিয়ে আসছি ওদের নাম্বার আমার কাছে নেই ।
নেতার ছেলেঃ ওরা বাইরের ছেলে তোকে মারার জন্য নিয়ে আসছি ওদের নাম্বার আমার কাছে নেই ।
আমিঃ তোরা আমার একটা পা ভেঙে দিছলি আমি ১৫ টা দিন বের হতে পারি নি । আজ আমি তোর এমন অবস্থা করবো যাতে করে তুই নিজের পায়ে দাঁড়াতে না পারিস।
এই রুমটা সাধারণ আমরা এইসব কাজের জন্য মানে মারামারির জন্য ব্যবহার করে থাকি তাই মারার সব জিনিস হাতের কাছেই থাকে।
পাশে থেকে একটা হকিস্টিক নিয়ে ওর পায়ে বরাবর কয়েক টা বাড়ি দিলাম ।
পাশে থেকে একটা হকিস্টিক নিয়ে ওর পায়ে বরাবর কয়েক টা বাড়ি দিলাম ।
রকি বুঝতে পারছে আমার রাগ উঠে গেছে খুব । আমার হাতে খুব বেশি সময় হকিস্টিক থাকলে নেতার ছেলে নির্ঘাত মারা পড়বে।
রকিঃ ভাই একে কি মাডার করবেন?
আমিঃ মেরে ফেললে তো সব যন্ত্রণা একবারেই শেষ । ওর চার হাত পা এর একটাও যেন সচল না থাকে।
রকিঃ ঠিক আছে ভাই । আপনি ক্লাবে গিয়ে বসেন। আমরা বাকি টা দেখছি।
আমিঃ মেরে ফেললে তো সব যন্ত্রণা একবারেই শেষ । ওর চার হাত পা এর একটাও যেন সচল না থাকে।
রকিঃ ঠিক আছে ভাই । আপনি ক্লাবে গিয়ে বসেন। আমরা বাকি টা দেখছি।
আমিঃ তোর বাপকে বলে দিস তোর বাপের ও বাপ আমি । ( নেতার ছেলেকে বললাম )
এরপর আমি ক্লব রুমে এসে বসলাম ।
কিছু সময় ধরে খুব চিৎকারের শব্দ আসলো।
একটু পরে রাজ আসলো
কিছু সময় ধরে খুব চিৎকারের শব্দ আসলো।
একটু পরে রাজ আসলো
রাজঃ ভাই কাজ শেষ ।
আমিঃ ঠিক ভাবে হইছে তো
রাজঃ হ্যাঁ ।
আমিঃ ওটাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিয়ে আয়।
রাজঃ ঠিক আছে ভাই ।
আমিঃ ঠিক ভাবে হইছে তো
রাজঃ হ্যাঁ ।
আমিঃ ওটাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিয়ে আয়।
রাজঃ ঠিক আছে ভাই ।
রাজ ওকে হাসপাতালে নিয়ে গেলো।
শালা আমায় মারার জন্য লোক নিয়ে আসে।
এদিকে আমি একটার পর একটা সিগারেট টেনেই চলছি।
শালা আমায় মারার জন্য লোক নিয়ে আসে।
এদিকে আমি একটার পর একটা সিগারেট টেনেই চলছি।
সন্ধ্যার দিকে রাজ রকি আর আমি মামার দোকানে বসে আছি ।
আমিঃ এখন একটু সাবধানে চলাচল করবি। নেতা কিন্তু এখন পাগলা কুত্তা হয়ে যাবে।
রকিঃ হুম । আপনিও ভাই ।
আমিঃ আমি ওসব চিন্তা করি না । যেদিন চলে যাওয়ার সেদিন আপনাআপনি চলে যাবো।
রকিঃ হুম । আপনিও ভাই ।
আমিঃ আমি ওসব চিন্তা করি না । যেদিন চলে যাওয়ার সেদিন আপনাআপনি চলে যাবো।
কিছু সময় নিরবে সিগারেট টানছি। রকি আর রাজ আমার পাশে বসে আছে।
ওরা আমার সামনে কোনো দিন সিগারেট খায় না। অথচ আমার থেকে ওদের সিগারেটের বিল বেশি পে করতে হয় আমায়।
ওরা আমার সামনে কোনো দিন সিগারেট খায় না। অথচ আমার থেকে ওদের সিগারেটের বিল বেশি পে করতে হয় আমায়।
আমিঃ আজ বেশি রাত করিস না । বাইরে থাকার দরকার নাই । বাসায় যা। আর যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে আমায় ফোন দিস।
রাজঃ ঠিক আছে ভাই ।
রাজঃ ঠিক আছে ভাই ।
রাজ আর রকি কে বাসায় পাঠিয়ে দিলাম ।
এরপর কিছু সময় মামার সাথে গল্প করলাম ।
মামা বললো কাজটা ঠিক করি নি।
কিন্তু রাগের সময় তো ঠিক বেঠিক কিছু মনে থাকে না ।
এরপর কিছু সময় মামার সাথে গল্প করলাম ।
মামা বললো কাজটা ঠিক করি নি।
কিন্তু রাগের সময় তো ঠিক বেঠিক কিছু মনে থাকে না ।
আজ বেশি দেরি করলাম না বাইরে ।
রাত ৮ টার দিকে বাসায় আসলাম ।
বাসায় এসে রুমে ঢুকে আমি অবাক ।
এটা কি আমার রুম? আমি তো কনফিউজড ।
কারণ এতো সুন্দর করে রুম শেষ কবে গোছানো ছিলো সেটা ভুলেই গেছি।
কিন্তু রুমটা গোছালো কে?
রাফছি কে ডাকলাম।
রাত ৮ টার দিকে বাসায় আসলাম ।
বাসায় এসে রুমে ঢুকে আমি অবাক ।
এটা কি আমার রুম? আমি তো কনফিউজড ।
কারণ এতো সুন্দর করে রুম শেষ কবে গোছানো ছিলো সেটা ভুলেই গেছি।
কিন্তু রুমটা গোছালো কে?
রাফছি কে ডাকলাম।
আমিঃ রাফছি এই রাফছি
রাফছিঃ হ্যাঁ ভাইয়া
রাফছিঃ হ্যাঁ ভাইয়া
আমিঃ এই রুম তুই এভাবে গুছিয়েছিস?
রাফছিঃ আমার আর কাজ নেই তো। তানজু আপু করছে এসব ।
রাফছিঃ আমার আর কাজ নেই তো। তানজু আপু করছে এসব ।
আমিঃ ওহহ। তানজু কই?
রাফছিঃ ছাঁদে মনে হয় ।
আমিঃ ওহ আচ্ছা । তুই যা এখন ।
রাফছিঃ ছাঁদে মনে হয় ।
আমিঃ ওহ আচ্ছা । তুই যা এখন ।
রাফছি চলে গেল ।
আমি ছাঁদে চলে আসলাম ।
তানজু হাতে কি যেন একটা ।
তবে তানজু খুব মনোযোগ দিয়ে সেটা পড়ছে । ছাঁদের লাইটের এই হালকা আলোয়।
আমি ছাঁদে চলে আসলাম ।
তানজু হাতে কি যেন একটা ।
তবে তানজু খুব মনোযোগ দিয়ে সেটা পড়ছে । ছাঁদের লাইটের এই হালকা আলোয়।
আমিঃ কি করো?
চমকে গিয়ে আমার মুখোমুখি দাঁড়ালো । তবে হাতের জিনিস টা পিছনে রাখলো। যাতে আমি দেখতে না পাই।
তানজুঃ কই কিছু না তো।
আমিঃ পিছনে কি লুকালে?
তানজুঃ কিছু না ।
আমিঃ দেখি কি ওটা
আমিঃ পিছনে কি লুকালে?
তানজুঃ কিছু না ।
আমিঃ দেখি কি ওটা
তানজুর সাথে জোরাজুরি করে ওর হাতটা পিছনে থেকে সামনে আনলাম
ওর হাতে যেটা দেখলাম তাতে আমার মাথায় হাই স্প্রিডে রক্ত চলাচল শুরু করলো ।
রাগের মাথায় তানজুর গালে সজোরে একটা থাপ্পড় দিলাম ।
.
..
...
....
...
..
.
To be continue
Plz join the group
⬇
ওর হাতে যেটা দেখলাম তাতে আমার মাথায় হাই স্প্রিডে রক্ত চলাচল শুরু করলো ।
রাগের মাথায় তানজুর গালে সজোরে একটা থাপ্পড় দিলাম ।
.
..
...
....
...
..
.
To be continue
Plz join the group
⬇

0 মন্তব্যসমূহ