বখাটে
7⃣ম পর্ব
Sûmøñ Ãl-Fãrâbî
.
সকাল বেলা ঘুম ভেঙে চোখ খুলে দেখি তানজু আমার এতটাই কাছে যে ওর প্রতিটা নিঃশ্বাসের শব্দ আমার কানে আসছে ।
আমার বাহুতে মাথা রেখে আমার বুকের সাথে লেপ্টে আছে ।
একবার ভাবলাম ডাকবো
কিন্তু পড়ে আর না ডেকে ওর মুখের উপর পড়ে থাকা চুলটা সরিয়ে দিলাম।
আচমকা তানজু আমার স্পর্শ বুঝতে পেরে জেগে গেলো।
ও যখন নিজের অবস্থান বুঝতে পারলো তখন ও নিজেই খুব লজ্জা পেলো।
মেয়েটাকে লজ্জা পেতে এই প্রথম বার দেখলাম ।
লজ্জা পেলে মুখটা কেমন যেন হয়ে যায় ।
তানজু আমায় আর কিছু না বলে উঠে তাড়াতাড়ি চলে গেল ।
দরজার কাছে গিয়ে পিছনে তাকালো।
7⃣ম পর্ব
Sûmøñ Ãl-Fãrâbî
.
সকাল বেলা ঘুম ভেঙে চোখ খুলে দেখি তানজু আমার এতটাই কাছে যে ওর প্রতিটা নিঃশ্বাসের শব্দ আমার কানে আসছে ।
আমার বাহুতে মাথা রেখে আমার বুকের সাথে লেপ্টে আছে ।
একবার ভাবলাম ডাকবো
কিন্তু পড়ে আর না ডেকে ওর মুখের উপর পড়ে থাকা চুলটা সরিয়ে দিলাম।
আচমকা তানজু আমার স্পর্শ বুঝতে পেরে জেগে গেলো।
ও যখন নিজের অবস্থান বুঝতে পারলো তখন ও নিজেই খুব লজ্জা পেলো।
মেয়েটাকে লজ্জা পেতে এই প্রথম বার দেখলাম ।
লজ্জা পেলে মুখটা কেমন যেন হয়ে যায় ।
তানজু আমায় আর কিছু না বলে উঠে তাড়াতাড়ি চলে গেল ।
দরজার কাছে গিয়ে পিছনে তাকালো।
তানজুঃ রাতে কিছু কর নাই তো আবার?
( আমার দিকে তাকিয়ে ফাজলামির হাসি দিয়ে কথাটা বলেই দৌড়ে চলে গেল)
( আমার দিকে তাকিয়ে ফাজলামির হাসি দিয়ে কথাটা বলেই দৌড়ে চলে গেল)
আজব মেয়ে মাইরি । মেয়ে মানুষ ও এতো ফাজিল হয়? জানতাম না।
সেদিন সারা দিন তানজু আর আমার সামনে তেমন একটা আসে নি । আমিও তো সারাদিন ঘরে বন্ধি। বাইরে গেলে হয়তো ওর সাথে দেখা হতো।
সেদিন সারা দিন তানজু আর আমার সামনে তেমন একটা আসে নি । আমিও তো সারাদিন ঘরে বন্ধি। বাইরে গেলে হয়তো ওর সাথে দেখা হতো।
দেখতে দেখতে প্রায় ১৫ দিন হয়ে গেলো। এই ১৫ দিন আমার জীবনের অন্যতম দিনগুলোর মধ্যে।
এই ১৫ দিনে তানজু আমার এতটাই কাছে চলে এসেছে যে আমি নিজেই মনে হয় নিজের এতটা কাছের না।
এই ১৫ দিনে তানজু আমার এতটাই কাছে চলে এসেছে যে আমি নিজেই মনে হয় নিজের এতটা কাছের না।
বিকেলে তানজু আর আমি ডাক্তারের কাছে গেলাম ।
ডাক্তার এক্স রে করাতে বললো।
এক্স রে করিয়ে রিপোর্ট টা ডাক্তার কে দেখলাম ।
এরপর ডাক্তার পা টা ঠিক করে পরীক্ষা করে বললো এখন আমি একদম সুস্থ । আর কোনো সমস্যা হবে না । তবে হাটাহাটি টা কিছু দিন অল্প করে করতে ।
ডাক্তার এক্স রে করাতে বললো।
এক্স রে করিয়ে রিপোর্ট টা ডাক্তার কে দেখলাম ।
এরপর ডাক্তার পা টা ঠিক করে পরীক্ষা করে বললো এখন আমি একদম সুস্থ । আর কোনো সমস্যা হবে না । তবে হাটাহাটি টা কিছু দিন অল্প করে করতে ।
ডাক্তারের থেকে বাসায় ফিরতে ফিরতে প্রায় রাত হয়ে গেল ।
অনেক দিন পর আজ রাতে আম্মুর সাথে টেবিলে বসে রাতের খাবার খেলাম।
খাওয়া শেষ করে রুমে আসলাম ।
রুমে আসতে কি যেন করতে গিটারের কাছে আসলাম ।
গিটার টা অনেক দিন হলো ধরা হয় না ।
গিটার টা নিয়ে মাকড়সার জাল গুলো পরিস্কার করলাম । এরপর ওটা নিয়ে ছাঁদে চলে আসলাম ।
অনেক দিন পর আজ রাতে আম্মুর সাথে টেবিলে বসে রাতের খাবার খেলাম।
খাওয়া শেষ করে রুমে আসলাম ।
রুমে আসতে কি যেন করতে গিটারের কাছে আসলাম ।
গিটার টা অনেক দিন হলো ধরা হয় না ।
গিটার টা নিয়ে মাকড়সার জাল গুলো পরিস্কার করলাম । এরপর ওটা নিয়ে ছাঁদে চলে আসলাম ।
অনেক দিন পর হাতে নিলাম তো
প্রায় সব কিছু ভুলেই গেছলাম ।
বেশ কিছু সময় চেষ্টা করার পর এখন স্টেপ গুলো মনে হচ্ছে ।
প্রায় সব কিছু ভুলেই গেছলাম ।
বেশ কিছু সময় চেষ্টা করার পর এখন স্টেপ গুলো মনে হচ্ছে ।
গিটার টা প্লে করছি আর গাইছি ওরে নীল দরিয়া আমায় দে রে দে ছাড়িয়া । যদিও এটা আমার দ্বিতীয় পছন্দের গান । আর আমার সব থেকে বেশি যে গানটা পছন্দ সেটা আমি কখনো গাইতে পারি না ।
গানটার মাঝে এসে মনে হচ্ছে আমার পিছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে ।
পিছনে তাকিয়ে দেখি রাফছি আর তানজু দাঁড়িয়ে আছে ।
পিছনে তাকিয়ে দেখি রাফছি আর তানজু দাঁড়িয়ে আছে ।
আমিঃ তোমরা কখন আসলা
তানজুঃ এই তো এখনি
রাফছিঃ ভাইয়া তুই আবার গান গাওয়া শুরু করছিস । আমি কতবার বলছি গান গাওয়ার জন্য কিন্তু আমার কথা তো কখনো শুনিস নি । যেই ভাবি বলছে সেই তোর গান গাওয়া শুরু হলো।
তানজুঃ এই তো এখনি
রাফছিঃ ভাইয়া তুই আবার গান গাওয়া শুরু করছিস । আমি কতবার বলছি গান গাওয়ার জন্য কিন্তু আমার কথা তো কখনো শুনিস নি । যেই ভাবি বলছে সেই তোর গান গাওয়া শুরু হলো।
আমিঃ তুই যেটা ভাবছিস তেমন কিছু না । অনেক দিন পর গিটার টা ধরলাম তাই ভাবলাম দেখি সব কিছু মনে আছে কি না।
রাফছিঃ বুঝি তো সবই বুঝি । আমি তো আর ফিডার খাই না । সবাই ভাবির ক্যালমা।
( তানজু লজ্জায় লাল হয়ে গেছে রাফছিস কথা শুনে)
রাফছিঃ বুঝি তো সবই বুঝি । আমি তো আর ফিডার খাই না । সবাই ভাবির ক্যালমা।
( তানজু লজ্জায় লাল হয়ে গেছে রাফছিস কথা শুনে)
আমিঃ বেশি বোঝা ভালো না। যা ভাগ এখান থেকে ।
রাফছি চলে গেল ।
আমিঃ তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেন?
তানজুঃ কই না তো।
আমিঃ তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেন?
তানজুঃ কই না তো।
আমিঃ হুম । তুমি কখন আসছো?
তানজুঃ আমি আর রাফছি একসাথে আসছি।
তানজুঃ আমি আর রাফছি একসাথে আসছি।
আমিঃ ওহ আচ্ছা ।
তানজুঃ তোমার কন্ঠ টা কিন্তু অনেক সুন্দর ।
তানজুঃ তোমার কন্ঠ টা কিন্তু অনেক সুন্দর ।
আমিঃ জানি আমি । তোমায় একটা গল্প বলি?
তানজুঃ হুম বলো
তানজুঃ হুম বলো
আমিঃ একবার একটা মেয়ে রং নাম্বার থেকে আমায় ফোন করছিলো। এরপর কিছু দিন আমি ঐ মেয়ের সাথে কথা বলি। এরপর কি হইছে জানো?
তানজুঃ কি?
তানজুঃ কি?
আমিঃ ঐ মেয়ে আমায় না দেখেই আমায় প্রপস করছিলো।
তানজুঃ কেন?
আমিঃ আমার কন্ঠ নাকি ওর খুব ভালো লাগছে তাই।
তানজুঃ বেয়াদব মেয়ে কোথাকার।
তানজুঃ কেন?
আমিঃ আমার কন্ঠ নাকি ওর খুব ভালো লাগছে তাই।
তানজুঃ বেয়াদব মেয়ে কোথাকার।
আমিঃ বেয়াদব মেয়ে বললা কেন?
তানজুঃ তোমায় প্রপস করবে কেন?
আমিঃ ভালো লাগছে তাই প্রপস করছে ।
তানজুঃ না। করা যাবে না । তুমি শুধু আমার।
তানজুঃ তোমায় প্রপস করবে কেন?
আমিঃ ভালো লাগছে তাই প্রপস করছে ।
তানজুঃ না। করা যাবে না । তুমি শুধু আমার।
আমিঃ আমি শুধু তোমার মানে?
তানজুঃ কিছু না ।
তানজুঃ কিছু না ।
আমিঃ তোমায় আগেও বলছি আমার সাথে নিজের জীবন জড়িয়ে জীবন টা নষ্ট করিও না ।
তানজুঃ কি করবো বলো না চাইতেও তুমি আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে গেছো।
তানজুঃ কি করবো বলো না চাইতেও তুমি আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে গেছো।
আমিঃ এখনো সময় আছে সরিয়ে ফেলো। আর আমি তোমায় আমার খুব ভালো বন্ধু ভাবি। অন্য কিছু না ।
তানজুঃ আচ্ছা আমি কি খুব খারাপ যে তুমি আমার সাথে নিজের জীবন জড়াতে চাও না?
তানজুঃ আচ্ছা আমি কি খুব খারাপ যে তুমি আমার সাথে নিজের জীবন জড়াতে চাও না?
আমিঃ তুমি নিঃসন্দেহে একজন ভালো মেয়ে । কিন্তু তুমি আমার থেকে ভালো অনেক ভালো ছেলে ডিজার্ব করো। আর দেখলাই তো আমি এই আছি এই নেই ।
তানজুর সাথে কথা বলছি এমন সময় রকির নাম্বার থেকে ফোন আসলো।
আমিঃ হ্যাঁ বল
রকিঃ ভাই ওদের চারজনের খোঁজ পাইছি। কিন্তু ওরা চারজন এখন শহরে নেই । শহরের বাইরে ।
আমিঃ ওদের তো লিডার একজন আছে । সেটা কে?
রকিঃ ভাই ওদের চারজনের খোঁজ পাইছি। কিন্তু ওরা চারজন এখন শহরে নেই । শহরের বাইরে ।
আমিঃ ওদের তো লিডার একজন আছে । সেটা কে?
রকিঃ গতবার এলাকার গরীব মানুষের ত্রাণ চুরি করার জন্য আমরা যে নেতার ছেলেকে পিটাইছিলাম সেই ওদের পাঠিয়েছে ।
আমিঃ ওহ আচ্ছা । ছেলে দের রেডি থাকতে বল। এখন রাখলাম ।
আমিঃ ওহ আচ্ছা । ছেলে দের রেডি থাকতে বল। এখন রাখলাম ।
ফোনটা কেটে দিলাম ।
রুমের দিকে যাচ্ছি ।
রুমের দিকে যাচ্ছি ।
তানজুঃ তুমি কিন্তু আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দাও নি
আমিঃ কি প্রশ্ন?
আমিঃ কি প্রশ্ন?
তানজুঃ তুমি কেন এই পথে চলে গেলা? এই প্রশ্ন টা কিছু দিন আগে করছি কিন্তু উত্তর পাই নি।
আমিঃ কিছু কিছু জিনিস না জানাই ভালো । সব কিছু সবার জানতে নেই ।
.
..
...
....
...
..
.
To be continue
আমিঃ কিছু কিছু জিনিস না জানাই ভালো । সব কিছু সবার জানতে নেই ।
.
..
...
....
...
..
.
To be continue

0 মন্তব্যসমূহ