বখাটে
5⃣ম পর্ব
Sûmøñ Ãl-Fãrâbî
.
সকাল বেলা মুখের উপর কিছু সুড়সুড়ি দিচ্ছে । চোখ খুলে দেখি আমার মাথার কাছে তানজু বসে আমার মুখের উপর হেলে আছে।
আমি চোখ খুলে দেখে কিছু টা চমকে গেলাম ।
5⃣ম পর্ব
Sûmøñ Ãl-Fãrâbî
.
সকাল বেলা মুখের উপর কিছু সুড়সুড়ি দিচ্ছে । চোখ খুলে দেখি আমার মাথার কাছে তানজু বসে আমার মুখের উপর হেলে আছে।
আমি চোখ খুলে দেখে কিছু টা চমকে গেলাম ।
আমিঃ তুমি?
তানজুঃ কেন অন্য কাউকে আশা করছিলে?
তানজুঃ কেন অন্য কাউকে আশা করছিলে?
আমিঃ না। কিন্তু তুমি আমার রুমে এভাবে আমার পাশে ।
তানজুঃ ভাবলাম তোমায় ডাকি। ভোর টা একটু দেখো
আমিঃ এই ভোর দেখার জন্য আমার এই সুন্দর ঘুমটা নষ্ট করে দিলা?
তানজুঃ ভাবলাম তোমায় ডাকি। ভোর টা একটু দেখো
আমিঃ এই ভোর দেখার জন্য আমার এই সুন্দর ঘুমটা নষ্ট করে দিলা?
তানজুঃ দেখো না একবার ভালো লাগবে ।
আমিঃ আমার ভালো লাগার দরকার নেই । যাও তো।
আমিঃ আমার ভালো লাগার দরকার নেই । যাও তো।
তানজুঃ আসো তো। ওঠো।
আমিঃ না।
আমিঃ না।
তানজু জোর করে ধাক্কা দিয়ে আমায় তোলার চেষ্টা করছে।
আমিঃ এই তুমি বোঝো না আমি বলছি যে আমি যাবো না ( একটু রাগ করে বললাম)
তানজু কিছু সময় আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো।
আমি আবার শুয়ে পড়লাম ।
এরপর তানজু উঠে বাইরে চলে গেল ।
আমি আবার শুয়ে পড়লাম ।
এরপর তানজু উঠে বাইরে চলে গেল ।
আমি কিছু সময় শুয়ে থাকলাম। কিন্তু কেন জানি না ঘুম আসছে না । তানজু কে এভাবে বলাটা উচিত হয় নি ।
মেয়েটা কত শখ করে আসছিলো ।
আর শুয়ে না থেকে উঠে ফ্রেশ হলাম ।
এরপর বাইরে আসলাম । কিন্তু তানজু কোন রুমে থাকে সেটাই তো জানি না । হুদাই কোন রুমে গিয়ে খুজবো?
দূর ভালো লাগে না ।
ছাদে চলে আসলাম । এসে দেখি তানজু ছাঁদে দাড়িয়ে আছে ।
তবে মনে হচ্ছে কান্না করছে ।
মেয়েটা কত শখ করে আসছিলো ।
আর শুয়ে না থেকে উঠে ফ্রেশ হলাম ।
এরপর বাইরে আসলাম । কিন্তু তানজু কোন রুমে থাকে সেটাই তো জানি না । হুদাই কোন রুমে গিয়ে খুজবো?
দূর ভালো লাগে না ।
ছাদে চলে আসলাম । এসে দেখি তানজু ছাঁদে দাড়িয়ে আছে ।
তবে মনে হচ্ছে কান্না করছে ।
আমিঃ তুমি কি কান্না করছো?
( তানজু একটু চমকে উঠলো)
( তানজু একটু চমকে উঠলো)
তানজুঃ কই না তো ( চোখ মুছতে মুছতে )
আমিঃ সরি আমার ওভাবে বলা ঠিক হয় নি ।
আমিঃ সরি আমার ওভাবে বলা ঠিক হয় নি ।
তানজুঃ ঠিক আছে । আমি কিছু মনে করি নি।
আমিঃ হুম । কি জন্য ডাকছিলা?
তানজুঃ কিছু না। এমনি।
তানজুঃ কিছু না। এমনি।
আমিঃ তুমি নাকি ভোর দেখাবা?
তানজুঃ কিন্তু তুমি তো দেখবা না।
তানজুঃ কিন্তু তুমি তো দেখবা না।
আমিঃ আমি তো দেখার জন্য আসলাম ।
তানজুঃ সত্যি? ( অমাবস্যায় চাঁদ উঠেছে)
তানজুঃ সত্যি? ( অমাবস্যায় চাঁদ উঠেছে)
আমিঃ হুম ।
তানজুঃ চলো হাটতে যাই।
আমিঃ হুম ।
তানজুঃ চলো হাটতে যাই।
আমিঃ হুম ।
তানজু আর আমি একসাথে হাটতে বের হলাম ।
কোনো নিরপরাধ মানুষকে যদি আমি সামান্য ধমক ও দেই তবে সেটার জন্য আমার সারাদিন মন খারাপ থাকে। যতক্ষণ না তার সাথে ভালো করে কথা বলছি ।
কোনো নিরপরাধ মানুষকে যদি আমি সামান্য ধমক ও দেই তবে সেটার জন্য আমার সারাদিন মন খারাপ থাকে। যতক্ষণ না তার সাথে ভালো করে কথা বলছি ।
তানজু আর আমি হাটছি। হাটতে হাটতে অনেক দূর চলে আসছি ।
তানজু বক বক করতেই আছে । আমি চুপচাপ শুধু শুনে যাচ্ছি আর মাঝে মাঝে হুম হ্যাঁ করছি।
অনেক টা পথ হাঁটলাম । চারদিকে আলো উঠে গেছে । পাখি কিচিরমিচির করছে ।
হঠাৎ করে দুইটা বাইক আমার সামনে এসে দাঁড়ালো ।
বাইকের ছেলেগুলো হেলমেট পড়া। কাউকে চিনতে পারছি না ।
তানজু বক বক করতেই আছে । আমি চুপচাপ শুধু শুনে যাচ্ছি আর মাঝে মাঝে হুম হ্যাঁ করছি।
অনেক টা পথ হাঁটলাম । চারদিকে আলো উঠে গেছে । পাখি কিচিরমিচির করছে ।
হঠাৎ করে দুইটা বাইক আমার সামনে এসে দাঁড়ালো ।
বাইকের ছেলেগুলো হেলমেট পড়া। কাউকে চিনতে পারছি না ।
একটা ছেলেঃ খুব তো দাদাগিরি করিস। আজ কি করবি ?
আমিঃ রোজ যা করি আজও তাই করবো।
আমিঃ রোজ যা করি আজও তাই করবো।
আমি তানজুকে একটু দূরে যেতে বললাম । যাতে কোনো আঘাত না লাগে কারণ আমি জানি এখন ওরা আমায় আক্রমণ করবে।
ওরা ধীরে ধীরে আমার দিকে এগিয়ে আসছে ।
আমি নিজেকে প্রটেক্ট করার চেষ্টা করছি। কিন্তু ওরা চার জন ছিলো। তাই যদিও বা জানি আমি ওদের সাথে পেড়ে উঠবো না কারণ আমি কোনো তামিল মুভির নায়ক নই যে ফু দিলেই ভিলেন দশ হাত দূরে পড়ে যাবে। তবুও শেষ চেষ্টা করছি ।
এরমাঝে পকেটে একবার হাত বুলিয়ে দেখলাম যে ফোনটা আছে কি না। কিন্তু ফোনটা বাসায় রেখে আসছি।
কিছু সময় নিজেকে প্রটেক্ট করার পর হঠাৎ মাথয় খুব জোরে একটা আঘাত আমায় অজ্ঞান করে দিলো। এরপর আমার আর তেমন কিছু মনে নেই ।
দূর থেকে কয়েকজন লোক দৌড়ে আসছে আমাদের দিকে আর ওদের মাঝে একজন বললো
আজকের মতো বেঁচে গেলি । বলে পালিয়ে গেলো ।
আমি অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে রইলাম ।
আমি নিজেকে প্রটেক্ট করার চেষ্টা করছি। কিন্তু ওরা চার জন ছিলো। তাই যদিও বা জানি আমি ওদের সাথে পেড়ে উঠবো না কারণ আমি কোনো তামিল মুভির নায়ক নই যে ফু দিলেই ভিলেন দশ হাত দূরে পড়ে যাবে। তবুও শেষ চেষ্টা করছি ।
এরমাঝে পকেটে একবার হাত বুলিয়ে দেখলাম যে ফোনটা আছে কি না। কিন্তু ফোনটা বাসায় রেখে আসছি।
কিছু সময় নিজেকে প্রটেক্ট করার পর হঠাৎ মাথয় খুব জোরে একটা আঘাত আমায় অজ্ঞান করে দিলো। এরপর আমার আর তেমন কিছু মনে নেই ।
দূর থেকে কয়েকজন লোক দৌড়ে আসছে আমাদের দিকে আর ওদের মাঝে একজন বললো
আজকের মতো বেঁচে গেলি । বলে পালিয়ে গেলো ।
আমি অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে রইলাম ।
এরপর যখন জ্ঞান ফিরলো নিজেকে হাসপাতালের বিছানায় দেখতে পেলাম ।
পাশে রাফছি বসে আছে ।
আমায় চোখ খুলতে দেখে রাফছি দৌড়ে বাইরে গেলো।
একটু পরে আম্মু রকি রাজ আর তানজু আসলো।
পাশে রাফছি বসে আছে ।
আমায় চোখ খুলতে দেখে রাফছি দৌড়ে বাইরে গেলো।
একটু পরে আম্মু রকি রাজ আর তানজু আসলো।
আম্মুঃ এখন কেমন লাগছে বাবা
আমি ঘাড় নাড়িয়ে বললাম ভালোই ।
ঠিক তখনই ডাক্তার চলে আসলো।
ডাক্তার এসে সবাইকে বাইরে চলে যেতে বললো।
সবাই বাইরে গেলো।
ডাক্তার মনে হয় ঘুমের ইনজেকশন দিলো তাই একটু পরে ঘুমিয়ে পরলাম ।
যখন ঘুম থেকে উঠলাম তখন আমার পাশে শুধু তানজু । আমার হাতের উপর মাথা দিয়ে ঘুমিয়ে আছে । মনে হয় এখন অনেক রাত। হাসপাতালের ভিতর কিছু বোঝার মতো উপায় নাই ।
কিছু সময় আমি তানজুর দিকে তাকিয়ে থাকলাম ।
হঠাৎ একগুচ্ছ চুল ওর মুখে এসে পড়লো।
তখনই আমি ওর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলাম ।
আমি ঘাড় নাড়িয়ে বললাম ভালোই ।
ঠিক তখনই ডাক্তার চলে আসলো।
ডাক্তার এসে সবাইকে বাইরে চলে যেতে বললো।
সবাই বাইরে গেলো।
ডাক্তার মনে হয় ঘুমের ইনজেকশন দিলো তাই একটু পরে ঘুমিয়ে পরলাম ।
যখন ঘুম থেকে উঠলাম তখন আমার পাশে শুধু তানজু । আমার হাতের উপর মাথা দিয়ে ঘুমিয়ে আছে । মনে হয় এখন অনেক রাত। হাসপাতালের ভিতর কিছু বোঝার মতো উপায় নাই ।
কিছু সময় আমি তানজুর দিকে তাকিয়ে থাকলাম ।
হঠাৎ একগুচ্ছ চুল ওর মুখে এসে পড়লো।
তখনই আমি ওর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলাম ।
একটু পরেই তানজু জেগে গেলো।
তানজুঃ তুমি কখন জাগলা?
আমিঃ এই তো একটু আগেই ।
তানজুঃ সরি। আমার জন্যই আজ তোমার এই অবস্থা ।
আমিঃ আরে না। ওটা আমার কপালে ছিলো। আর আমার কপাল টা বরাবরের মতোই খারাপ । এই জন্য বলেছিলাম আমার জীবনের সাথে তোমার জীবন জড়ানো যাবে না । কারণ আমি এই আছি এই নেই ।
তানজুঃ কিন্তু
আমিঃএখন কয়টা বাজে? ( তানজুকে থামিয়ে দিলাম)
তানজুঃ ভোর হয়ে গেছে । ৫ টা বাজে।
আমিঃ এই তো একটু আগেই ।
তানজুঃ সরি। আমার জন্যই আজ তোমার এই অবস্থা ।
আমিঃ আরে না। ওটা আমার কপালে ছিলো। আর আমার কপাল টা বরাবরের মতোই খারাপ । এই জন্য বলেছিলাম আমার জীবনের সাথে তোমার জীবন জড়ানো যাবে না । কারণ আমি এই আছি এই নেই ।
তানজুঃ কিন্তু
আমিঃএখন কয়টা বাজে? ( তানজুকে থামিয়ে দিলাম)
তানজুঃ ভোর হয়ে গেছে । ৫ টা বাজে।
আমিঃ ডাক্তার কি বললো?
তানজুঃ মাথায় একটু আঘাত পেয়েছো আর বাম পা টা ভেঙে গেছে । ঠিক হতে ১৫ দিন লাগবে । এই ১৫ দিন হাঁটাচলা করা যাবে না ।
তানজুঃ মাথায় একটু আঘাত পেয়েছো আর বাম পা টা ভেঙে গেছে । ঠিক হতে ১৫ দিন লাগবে । এই ১৫ দিন হাঁটাচলা করা যাবে না ।
আমিঃ হুম ।
এরপর তানজু আমায় আপেল কেটে দিলো।
এরপর তানজু আমায় আপেল কেটে দিলো।
সকাল হতেই রকি আর রাজ এসে হাজির ।
রাজঃ ভাই এখন কেমন আছেন ?
আমিঃ মোটামুটি ভালোই । কোনো খবর পেলি কে ছিলো?
আমিঃ মোটামুটি ভালোই । কোনো খবর পেলি কে ছিলো?
রকিঃ ভাই ওরা সবাই হেলমেট পড়া ছিলো তাই যারা দেখছে তারা কেউ চিনতে পারে নি ।
আমিঃ আমি ১৫ দিন বাসায় থাকবো। এই ১৫ দিনে যেভাবে পারিস যত ছেলে লাগে খুঁজে বের কর কে কে ছিলো ওরা। ওদের ঘাড়ে কয়টা মাথা সেটাই দেখবো।
আমিঃ আমি ১৫ দিন বাসায় থাকবো। এই ১৫ দিনে যেভাবে পারিস যত ছেলে লাগে খুঁজে বের কর কে কে ছিলো ওরা। ওদের ঘাড়ে কয়টা মাথা সেটাই দেখবো।
রকিঃ ঠিক আছে ভাই ।
রকি আর রাজ কিছু সময় আমার পাশে বসে থাকলো। এরপর চলে গেল ।
এভাবেই প্রায় তিন দিন কেটে গেল হাসপাতালে ।
তানজু সব সময় আমার সাথে থাকে আম্মু আর রাফছি দিনে আসে সারাদিন থাকে আবার রাতে চলে যায় ।
.
..
...
....
...
..
.
To be continue
এভাবেই প্রায় তিন দিন কেটে গেল হাসপাতালে ।
তানজু সব সময় আমার সাথে থাকে আম্মু আর রাফছি দিনে আসে সারাদিন থাকে আবার রাতে চলে যায় ।
.
..
...
....
...
..
.
To be continue

0 মন্তব্যসমূহ