Recents in Beach

বখাটে 2⃣য় পর্ব Sûmøñ Ãl-Fãrâbî

বখাটে 2⃣য় পর্ব Sûmøñ Ãl-Fãrâbî ⬇ মেয়েটাঃ কতক্ষণ ধরে ডাকছি শুনতে পারছিস না? ( মেয়েটা আমায় এভাবে বলছে দেখে রাজ এগিয়ে আসলো) রাজঃ এই মেয়ে তোর সমস্যা কি? তোরে... মেয়েটাঃ ঐ আওয়াজ অল্প । তুই কি ভাবছিস তোর আওয়াজে আমি ভয় পাবো। এলাকার এমন টুটকু ফুটকু মাস্তান কে আমি ভয় পাই না । আমি রাজ কে থামিয়ে দিলাম । আমিঃ রাজ ইনি একটা মেয়ে মানুষ । তুই বস আমি কথা বলছি। রাজ আর রকি রাগে দাঁত কটমট শব্দ করছে । আমিঃ আজ শুধু মাত্র আপনি মেয়ে জন্য বেঁচে গেলেন নয়তো মেয়েটাঃ নয়তো কি হ্যাঁ নয়তো কি? আমার হাত পা ভেঙে দিতা? ( মেয়েটা তুই থেকে ডিরেক্ট তুমিতে চলে আসছে) আমিঃ হুম । তাই দিতাম । এখন যত তাড়াতাড়ি পারেন এখানে থেকে ভাগেন। নয়তো খুব খারাপ হবে । মেয়েটাঃ আমি যাবো না । আর তুমি আমার কিছুই করতে পারবে না । কারণ আমায় আন্টি মানে তোমার আম্মু পাঠিয়েছে । আম্মু পাঠিয়েছে? আম্মু তো এমন কখনো করে নি। মেয়েটাঃ তুমি আমায় চিনো না? আমিঃ না। কেন? ( গম্ভীর কণ্ঠে) মেয়েটাঃ আমি তানজু। তোমাদের পাশের বাসায় থাকি। আমিঃ তো আমি কি নাচবো?( মেয়েটাকে বললাম) মামা একটা সিগারেট দাও ( মামাকে বললাম) মেয়েটাঃ আমি তোমার সাথে কথা বলছি আর তুমি সিগারেট চাচ্ছো? আমিঃ আমি মুখ দিয়ে শুনি না। কান দিয়ে শুনি আর আমার কান পরিস্কার আছে । শুধু মাত্র আম্মু আপনাকে পাঠিয়েছে জন্য আপনাকে এখনো সহ্য করছি। যা বলতে চান তাড়াতাড়ি বলে ফুটেন। ( মামার থেকে সিগারেট টা নিয়ে ধরালাম) মেয়েটাঃ ভেবেছিলাম তোমায় কয়েক টা কথা বলে বিয়ে ক্যান্সেল করে দিবো। কিন্তু না আমি তোমাকেই বিয়ে করবো আর সারা জীবন তোনায় আমাকেই সহ্য করতে হবে । এই বলে দিলাম । এই ছোকরা রা আজ থেকে আমায় ভাবি বলে ডাকবি।( রকি আর রাজ কে বললো) আন্টিকে এখনি গিয়ে বলে দিবো আমি বিয়ে করবো এবং তোমাকেই করবো। মেয়েটি এসব কথা বলে চলে গেল । । আমি দাঁড়িয়ে সিগারেট টেনেই চলেছি। রকিঃ ভাই তুমি কি সত্যি ওনাকে বিয়ে করবে? আমিঃ এটা ওর বিয়ের ভূত চাপার বয়স। দুই দিন গেলে আপনা আপনি ভূত ছুটে যাবে। এখন কাজের কথায় আয়। মামলা কে করছে খোঁজ পাইছিস? রাজঃ ভাই কিছু দিন আগে আমরা একজন ব্যাবসায়ীর ছেলেকে মেরেছিলাম। ও তো আমাদের সাথে শক্তি দিয়ে পেরে উঠবে না তাই পতিতা পল্লীর একটা মেয়েকে দিয়ে মামলা করিয়েছে । আমিঃ ওহ। মেয়েটাকে নিয়ে আসতে বল। রকিঃ লোক পাঠিয়ে দিছি ভাই । বেশ কিছু সময় পরে ফোন আসলো ওরা মেয়েটাকে একটা রুমের মাঝে এনে রাখছে । আমি রকি আর রাজ আসলাম সেখানে । আমিঃ রুমের মাঝে রকি রাজ আর আমি ছাড়া সবাই বাইরে যাও। একে আজ আমরা দেখবো। রকি রাজ আমার দিকে অবাক চোখে তাকালো। সত্যি কি আমি ওর সাথে তেমন কিছু করতে যাচ্ছি ? সবাই বাইরে চলে গেল । আমিঃ রকি দরজা বন্ধ কর। রাজঃ ভাই একবার ভেবে দেখেন ও পল্লীর মেয়ে । ওর সাথে এমন করা ঠিক হবে না । আমরা বরং ফ্রেশ একটা মেয়ে এনে দিবো আপনাকে । আর আপনি এমন না ভাই । আমিঃ ঠাসসসস ( রাজের গালে থাপ্পড় বসিয়ে দিলাম) । যেটা করতে বলছি সেটা কর। রাজ দরজা বন্ধ করে দিলো। আমি পাশ থেকে একটা ছুরি হাতে নিলাম । আমায় ছুরি হাতে নিতে দেখে মেয়েটা অনেক টা ভয় পেয়ে গেছে। আমি সামনে এগিয়ে গিয়ে ছুরিটা গলার কাছে নিয়ে গেলাম । মেয়েটা ভয়ে চোখ বন্ধ করলো। আমি এরপর ওর হাতের বাঁধন টা কেটে দিলাম । মুখে বাঁধা ছিলো সেটাও খুলে দিলাম । মেয়েটাঃ আমার সাথে যা খুশি করুন কিন্তু আমায় মারবেন না দয়া করে । আমিঃ তুমি এমন করছো কেন? মেয়েটাঃ আমায় টাকা দিয়েছিলো কিন্তু আমি রাজি হই নি এরপর যখন টাকা আরও বাড়িয়ে দেয় তখন বাধ্য হয়ে করি। আমিঃ হুম । কবে থেকে আছো এই পল্লী তে? মেয়েটাঃ আমি দুই মাস হলো আসছি আমিঃ তোমার বাবা মা নেই? মেয়েটাঃ আছে । গ্রামের বাড়িতে থাকে। আমিঃ তুমি যে এসব করো ওরা কি জানে? মেয়েটাঃ না। কাজের জন্য আসছিলাম একজনের সাথে কিন্তু ঐ ***** যে এখানে নিয়ে যাবে জানতাম না । আমিঃ তোমার বাবা মা যদি এসব জানতে পারে? মেয়েটাঃ ওরা মরেই যাবে। আমিঃ মুক্তি হতে চাও? মেয়েটাঃ চাইলেই উপায় নাই । আমি চাইলেও ওরা আমায় মুক্তি দিবে না । আমিঃ রাজ আমার সাথে চল। আমি তোকে কিছু টাকা দিবো সেই টাকা দিয়ে ওকে ওর বাসায় যাওয়ার ব্যাবস্থা করে দিবি। আর রকি তুই পল্লীর মালিকের সাথে কথা বলবি। রকিঃ হ্যাঁ ভাই । আমিঃ বাঁচতে হলে একদিন বাচবা। কিন্তু সেই দিনটা নিজের মতো করে বাঁচবা ( মেয়েটাকে বললাম) ওকে কেউ পানি আর নাস্তা এনে দিস। ( ছেলেদের বললাম) । এরপর রাজকে নিয়ে চলে আসলাম । এসে ডিরেক্ট আব্বুর কাছে আসলাম । ওনার অফিসে । গিয়ে টাকা নিয়ে চলে আসলাম । ওনার টাকা দিতে সমস্যা নেই । কারণ ওনাকে তো সবাই টাকা উপহার দেয় । রাজ কে টাকা দিয়ে মামার দোকানে এসে এক প্যাকেট সিগারেট নিয়েছি সেই সময় রকি আসলো। রকিঃ ভাই একটা কথা বলতাম আমিঃ হুম বল রকিঃ আমি ভাবছিলাম তুমি মেয়েটার সাথে কিছু করবা কিন্তু সেটা যে এমন কিছু করবা ভবি নি । আমিঃ আসহায় মানুষ কে ব্যাবহার নয় সাহায্য করতে হয়। একটা মেয়ের সব থেকে দামী জিনিস হচ্ছে ওর ইজ্জত । যখন সে সেটা দিয়ে অর্থ উপার্জন করছে তখন ভাব সে কোন সিচুয়েশনে আছে? কেউ ইচ্ছে করে নিজের দামি সম্পদ ৫০০-১০০০ টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেয় না। আর কেউ একজন বলছিলো মেয়েদের কে যদি কখনো আসহায় অবস্থায় পাই তবে যেন নিজের সর্বোস্ব দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করি রকিঃ হুম । তোমার ভিতরটা একবারে পরিস্কার । তাহলে তুমি এই লাইনে আসছো কেন ? আমিঃ অন্য দিন বলবো । আজ বেশি রাত করি নি দশটার দিকে বাসায় ফিরলাম । সিগারেট টানতে টানতে বাসায় আসলাম । সিগারেট টা ফেলে দিয়ে দরজায় লাথি দিলাম । রাফছি এসে দরজা খুললো। আমিঃ খাওয়া করছিস? রাফছিঃ হুম । এখনি করলাম । আমি চলে আসলাম । ভিতরে আসতেই দেখি ঐ মেয়েটা আর আম্মু বসে গল্প করছে । আমি ঐদিকে একবার তাকিয়ে রুমে চলে আসলাম । একটু পরে আমার রুমে কেউ একজন এসে লাইট জ্বালিয়ে দিলো । আমি আম্মু ভেবে প্রতিদিনের ন্যায় খাওয়ার জন্য উঠলাম । কিন্তু এ তো আম্মু নয়। ঐ মেয়েটা । আমিঃ আপনি এখানে? তানজুঃ আমি থাকবো না তো কে থাকবে? আমিঃ আপনি আমার রুমে আসছেন কেন? তানজুঃ কারণ কিছু দিন পর এটা আমার রুম হবে তাই । রুমটা একটু গুছিয়ে রাখতে পারো না ? আমিঃ খবরদার আমার রুমের কোনো জিনিস এ হাত দিবেন না । আম্মু আম্মু । ( আম্মু আসলো) আম্মুঃ কি হইছে? আমিঃ এই মেয়ে আমার রুমে আসলো কেন? আম্মুঃ শোন বাবা আমিঃ আমার কিছু শোনার দরকার নেই এখনি আমার রুম থেকে বের করে দাও। নয়তো আমি বেরিয়ে যাবো এখনি। আম্মু আমায় আর কিছু না বলে তানজুকে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো। মেজাজ টা গরম করে দিলো। সিগারেটের প্যাকেট টা নিয়ে ছাঁদে চলে আসলাম । । ⬇⬇⬇⬇⬇ ⬇⬇⬇⬇ ⬇⬇⬇ ⬇⬇ ⬇ To be continue

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ