বখাটে
𝕋পাট শেষ𝕙𝕣 𝔼𝕟𝕕𝕚𝕟𝕘 𝕡𝕒𝕣𝕥
Sᴜᴍᴏɴ Aʟ-Fᴀʀᴀʙɪ
.
হাসপাতালে এসে তানজুর নাম্বারে ফোন দিলাম ।
𝕋পাট শেষ𝕙𝕣 𝔼𝕟𝕕𝕚𝕟𝕘 𝕡𝕒𝕣𝕥
Sᴜᴍᴏɴ Aʟ-Fᴀʀᴀʙɪ
.
হাসপাতালে এসে তানজুর নাম্বারে ফোন দিলাম ।
আমিঃ হ্যালো
তানজুঃ কই তুমি ?
তানজুঃ কই তুমি ?
আমিঃ আমি তো হাসপাতালের নিচে দাঁড়িয়ে আছি । তোমরা কোথয় আছো?
তানজুঃ তুমি ঐখানে থাকো আমি আসছি ।
আমিঃ হুম ।
তানজুঃ তুমি ঐখানে থাকো আমি আসছি ।
আমিঃ হুম ।
আমি কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকলাম ।
একটু পরে একটা মেয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়ালো ।
একটু পরে একটা মেয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়ালো ।
মেয়েঃ আপনি তো সুমন তাই না ।
আমিঃ হ্যাঁ । কেন?
আমিঃ হ্যাঁ । কেন?
মেয়েঃ আমি তানজুর বান্ধবী । আসুন।
আমিঃ হুম ।
আমিঃ হুম ।
মেয়েটা সামনে সামনে যাচ্ছে আমি ওনার পিছনে পিছনে যাচ্ছি ।
এরপর তানজুর সামনে এসে দাড়ালাম ।
তানজুঃ তোমার ব্লাড A+ তাই না?
আমিঃ হুম । কিন্তু কেন?
আমিঃ হুম । কিন্তু কেন?
তানজুঃ ওনার রক্ত লাগবে
আমিঃ কিন্তু আমি রক্ত দিবো না ।
আমিঃ কিন্তু আমি রক্ত দিবো না ।
তানজু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো। সাথে মেয়েটিও।
তানজুঃ কেন?
আমিঃ আমার রক্ত নিকোটিনে ভরপুর । আমি আর যাই করি না কেন এই রক্ত কোনো মা কে দিতে পারবো না।
আমিঃ আমার রক্ত নিকোটিনে ভরপুর । আমি আর যাই করি না কেন এই রক্ত কোনো মা কে দিতে পারবো না।
তানজুঃ ওনার ইমারজেন্সি রক্ত দরকার ।
আমিঃ আমি রক্ত ম্যানেজ করতিছি। সমস্যা নেই ।
আমিঃ আমি রক্ত ম্যানেজ করতিছি। সমস্যা নেই ।
এরপর রকি কে ফোন দিলাম ।
একটু পরেই রকি কয়েকটা ছেলে নিয়ে আসলো।
ওখানে থেকে একজন রক্ত দিলো।
একটু পরেই রকি কয়েকটা ছেলে নিয়ে আসলো।
ওখানে থেকে একজন রক্ত দিলো।
রক্ত দেওয়ার পর হাসপাতাল থেকে বের হলাম ।
তানজু ও আমার পিছনে পিছনে আসলো।
তানজু ও আমার পিছনে পিছনে আসলো।
আমিঃ শোন সাবধানে বাসায় না বাসায় না ক্লাবে যা। সবাই ওখানেই থাকিস
রকিঃ জ্বি ভাই ।
রকিঃ জ্বি ভাই ।
আমি বাইকে চাবি দিলাম । তানজু এসে পিছনে বসলো
আমিঃ কি হলো?
তানজুঃ কি?
তানজুঃ কি?
আমিঃ তুমি কোথায় যাবে?
তানজুঃ তোমার সাথে বাসায় যাবো।
তানজুঃ তোমার সাথে বাসায় যাবো।
আমিঃ কেন?
তানজুঃ এখানে আমার কোনো কাজ নেই ।
তানজুঃ এখানে আমার কোনো কাজ নেই ।
আমিঃ তোমার বান্ধবী একাই সব সামলে নিতে পারবে?
তানজুঃ হুম । একটু পরে ওর ভাইয়া আসবে ।
তানজুঃ হুম । একটু পরে ওর ভাইয়া আসবে ।
আমিঃ ওহ আচ্ছা ।
তানজুকে পিছনে নিয়ে বাইক চালিয়ে বাসায় আসছি।
হঠাৎ একটা রাস্তার পাশে এসে
হঠাৎ একটা রাস্তার পাশে এসে
তানজুঃ এই বার এই রাস্তা দিয়ে চলো
আমিঃ কেন?
আমিঃ কেন?
তানজুঃ চলো না ।
আমিঃ এখন বাইরে ঘোরা যাবে না ।
আমিঃ এখন বাইরে ঘোরা যাবে না ।
তানজুঃ কেন?
আমিঃ সমস্যা আছে ।
আমিঃ সমস্যা আছে ।
তানজুঃ কিছু হবে না । চলো তো।
একপ্রকার জোর করেই তানজু আমাকে নিয়ে গেলো।
আমি জানি ও এখন আমায় কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ।
সুন্দর মনোরম পরিবেশে নিয়ে যাচ্ছে ।
আমি এর আগে অনেক বার আসছি।
জায়গাটা একদম নিরব।
আশেপাশে মানুষ নাই বললেই চলে ।
আমি জানি ও এখন আমায় কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ।
সুন্দর মনোরম পরিবেশে নিয়ে যাচ্ছে ।
আমি এর আগে অনেক বার আসছি।
জায়গাটা একদম নিরব।
আশেপাশে মানুষ নাই বললেই চলে ।
তানজুঃ বাইক টা রাখো
আমিঃ কেন?
আমিঃ কেন?
তানজুঃ চলো না একটু হাটি।
আমিঃ পারবো না । এখানে আসা ঠিক হয় নি যে কোনো সময় বিপদ ধেয়ে আসতে পারে ।
আমিঃ পারবো না । এখানে আসা ঠিক হয় নি যে কোনো সময় বিপদ ধেয়ে আসতে পারে ।
তানজুঃ সব সময় উল্টো পাল্টে ভাবো কেন শুনি। আমরা যে এখানে আসছি সেটা তো কেউ জানে না ।
আমিঃ কেউ না জানলেও বিপদ ঠিকই সব খোঁজ রাখে। ( বিড়বিড় করে বললাম)
তানজুঃ কিছু বললা?
আমিঃ কই না তো।
যদিও বা আমার নিজের জীবনের প্রতি তেমন কোনো মায়া হচ্ছে না । কিন্তু আমার জন্য তানজুর না কোনো বিপদ হয়।
তানজুর আবদার রাখতে গিয়ে ওর সাথে হাটছি।
কিছু দূরে যাওয়া পরে হঠাৎ বুঝতে পারলাম কিছু একটা পিছনে থেকে বা পাঁজরে বিঁধে গেলো ।
পিছনে তাকাতেই দেখি দুই টা ছেলে বাইকে করে চলে যাচ্ছে ।
পিছনে হাত দিয়ে দেখি রক্ত ঝড়ছে। আমি মাটিতে লুটিয়ে গেলাম ।
কিছু দূরে যাওয়া পরে হঠাৎ বুঝতে পারলাম কিছু একটা পিছনে থেকে বা পাঁজরে বিঁধে গেলো ।
পিছনে তাকাতেই দেখি দুই টা ছেলে বাইকে করে চলে যাচ্ছে ।
পিছনে হাত দিয়ে দেখি রক্ত ঝড়ছে। আমি মাটিতে লুটিয়ে গেলাম ।
তানজুঃ কি হয়েছে তোমার? তুমি এমন করছো কেন?
তানজুর চোখে ভয়ের ছাপ।
তানজুর চোখে ভয়ের ছাপ।
আমি যেন কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারছি না । বাক শক্তি যেন আটকে গেছে ।
প্রচন্ড ব্যাথায় চিৎকার করে চোখ বুঝলাম ।
প্রচন্ড ব্যাথায় চিৎকার করে চোখ বুঝলাম ।
প্রায় তিন বছর পরঃ
তানজুঃ এই আর কতো ঘুমাবা? উঠো
আমিঃ আর একটু ঘুমাই না প্লিজ ।
আমিঃ আর একটু ঘুমাই না প্লিজ ।
তানজুঃ আর না। তাড়াতাড়ি উঠো।
তানজু আমার কাছে আসতেই ওকে জড়িয়ে নিলাম ।
তানজু আমার কাছে আসতেই ওকে জড়িয়ে নিলাম ।
তানজুঃ কি করছো?
আমিঃ আমার বউকে আদর করছি
তানজুঃ বেবি দেখে ফেলবে ।
আমিঃ দেখবে না । ও তো ঘুমাচ্ছে ।
আমিঃ আমার বউকে আদর করছি
তানজুঃ বেবি দেখে ফেলবে ।
আমিঃ দেখবে না । ও তো ঘুমাচ্ছে ।
তানজুঃ ঐ দেখো চায়ে লবন দেই নি। ছাড়ো ছাড়ো
তারাহুরো করে আমার থেকে ছাড়িয়ে নিলো নিজেকে ।
ওর তাড়াহুড়ায় ভুলেই গেছলাম চায়ে লবন নয় চিনি দিতে হয়। নিজেকে বাচানোর জন্য মিথ্যা টাও ঠিক করে বলতে পারে না ।
ওর তাড়াহুড়ায় ভুলেই গেছলাম চায়ে লবন নয় চিনি দিতে হয়। নিজেকে বাচানোর জন্য মিথ্যা টাও ঠিক করে বলতে পারে না ।
ওহহ হ্যাঁ । ঐ দিন গুলিটা অনেক দূর থেকে ছোড়ার কারণে বেশি গভীর যেতে পারে নি ।
তাই সেই যাত্রায় বেঁচে যাই। কিন্তু অনেক দিন হাসপাতালে কাটাতে হয় ।
এরপর যদিও বা প্রতিশোধ নিবো বলে ঠিক করছিলাম।
কিন্তু তানজু আমায় আর সেই রাস্তায় যেতে দেয় নি।
এরপর আম্মুর কথা মতো তানজুকে বিয়ে করে দেশের বাইরে পাড়ি জমাই।
প্রায় ১ বছর হলো আমাদের একটা রাজকন্যা হয়েছে ।
সব মিলিয়ে অনেক সুখেই দিন কাটছে ।
তবুও মাঝে মাঝে মনে পড়ে জীবনের প্রথম অনুভূতির কথা ।
যা শত চাওয়াতেও ভুলতে পারি না ।
.
..
...
....
...
..
.
তাই সেই যাত্রায় বেঁচে যাই। কিন্তু অনেক দিন হাসপাতালে কাটাতে হয় ।
এরপর যদিও বা প্রতিশোধ নিবো বলে ঠিক করছিলাম।
কিন্তু তানজু আমায় আর সেই রাস্তায় যেতে দেয় নি।
এরপর আম্মুর কথা মতো তানজুকে বিয়ে করে দেশের বাইরে পাড়ি জমাই।
প্রায় ১ বছর হলো আমাদের একটা রাজকন্যা হয়েছে ।
সব মিলিয়ে অনেক সুখেই দিন কাটছে ।
তবুও মাঝে মাঝে মনে পড়ে জীবনের প্রথম অনুভূতির কথা ।
যা শত চাওয়াতেও ভুলতে পারি না ।
.
..
...
....
...
..
.
𝓣𝓱𝓻 𝓔𝓷𝓭
অনিচ্ছা কৃত স্বত্বেও গল্প টা শেষ করতে হলো।
জানি গল্প টা হয়তো ভালো হয় নি। তবুও প্লিজ কেউ বাজে কমেন্ট করবেন না 🙏🙏🙏
জানি গল্প টা হয়তো ভালো হয় নি। তবুও প্লিজ কেউ বাজে কমেন্ট করবেন না 🙏🙏🙏

0 মন্তব্যসমূহ