Recents in Beach

♥EX যখন অফিসের বস♥ ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, লেখক: জিন্দা লাস ,,,,,,,,,,,,,,,,্্্্্্ পর্ব: ২

EX যখন অফিসের বস
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
লেখক: জিন্দা লাস
,,,,,,,,,,,,,,,,্্্্্্
পর্ব: ২

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
এর পর অনিকার কেবিনে গেলাম
:- মেডাম আসব
:- হুম
:- ডেকেছেন আমায়
:- হুম
:- জি মেডাম বলেন
:- শোন তোর পরিবারের কথা ভেবে আমি তোকে চাকুরি দিয়েছি তাই আমি যা বলব তাই করতে হবে
:- জি
:এইখানে সাইন কর
:- জি
:-ওকে এখন গিয়ে এই কাজ গুলো কর
:- মেডাম প্রথম।দিনেই এত কাজ
:- হুম।করতে না পাড়লে ও করতে হবে
:- ওকে মেডাম
অতপর কাজ করতে বিকেল হয়ে গেল
এদিকে আবার রহমত চাচা এসে বলল মেডাম ডাকে।
তাই সব কাজ রেখে আবার অনিকার কেবিনে গেলাম
অনিকা: সব ফাইল কম্পিলিট হয়েছে
:- না মেডাম
ঠাসসসস।তোকে চাকুরি দিয়েছি কাজ করার জন্য আর তুই কাজে ফাকি দিস
:- মেডাম আজকে প্রথম তাই একটু প্রবলেম হচছে
: আমি কোনো কথা শুনতে চাইনা বিকেলের মধ্যে সব ফাইল চাই
:- জি মেডাম
আমার কেবিনে এসে কাজ করতে লাগলাম
বিকেলে অনামিকা আমার কেবিনে এসে
:হয়েছে
:-না
:- কুত্তার বাচ্চা কাল যেনো সব কাজ হয়
:- জি
তারপর আরো কিছুখন কাজ করে ফাইল গুলো বাসায় নিয়ে আসলাম যাতে রাতে কাজ করতে পাড়ি।
মা: কিরে বাবা অফিস কেমন হল
:- জি মা ভালো
:- যা ফ্রেস হয়ে আয় আমি তোর খাবার দিচ্ছি
:-ঠিক আছে মা

ফ্রেস হয়ে এসে রাতের খাবার খেয়ে আবার কাজ করতে লাগলাম।
কাজ করছি আর ভাবচি এই কি সেই অনামিকা যে আমাকে নিজের জিবনের থেকেও বেশি ভালোবাসত।
কিছু বুঝলেন না তাই তো?
আজ থেকে ৩ বছর আগের কথা
আমি যখন ইন্টার শেষ করে অনার্স এ ভর্তি হই তখনি পরিচয় হয় অনামিকার সাথে।
প্রথমে বন্ধুত্ব তারপর শুরু ভালোবাসা।
প্রথমে আমিই ওকে প্রোফজ করছিলাম।
প্রথমবার ও রিজেক্ট করে দেয়।
২য় বার আমি আমার প্রেমে সফলতা পাই।
এরপড় থেকেই শুরু হয় আমাদের ভালোবাস
শুরু হয় আমাদের সুখের দিন।
কিন্তু কথায় আছে সুখ সবার সয্য হয় না।
ঠিক আমারও কপালে সুখটা বেশি দিন থাকল না।একদিন আমি আর অনামিকা রাস্তার সাথে ফুসকা খাচ্ছিলাম তখন অনামিকার বাবা আমাদের দেখে ফেলে। 
অনামিকার বাবা ওকে কিছু না বলে একদিন ব্যাক্তিগত ভাবে আমার সাথে দেখা করে:
অনামিকার বাবা: তোমার নাম কি নিল
আমি:জি
:- আমি অনামিকার বাবা
:- জি বলেন
:- তুমি কি আমার মেয়েকে ভালোবাসো
:- জি
:- তুমি কি জানো আমার মেয়ের একদিনের খরচ দিয়ে তোমাদের পরিবারের ১ মাসের খরচ চলবে
:-,, , ,,,,,,,,,,,,
:- আমি কি বলতে চয়েছি তা হয়ত তুমি বুঝে গেছ।আর তুমি যদি অনামিকাকে সত্যি ভালোবাসো তাহলে ওর সুখের জন্য ওর জিবন থেকে সরে যাব্
:-,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
:- ভালো থেকো আর আশা করি তোমাকে অনামিকার সাথে দেখব না
এরপড় থেকে আমিও বুঝতে পারি যে সত্যি অনামিকার সাথে আমার যায় না 
তাই ওর ভালোর জন্য ওর জিবন থেকে চলে যেতে হবে
?????????????????????????????????
,, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
এই ভাবে ৭ দিন কলেজে যাইনি ফোন বন্ধ করে অনামিকার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করি
৭ দিন পড় যখন কালেজে যাই:
অনামিকা: কোথায় ছিলে এতদিন।জানো তোমাকে আমি কত জায়গায় খুজেছি।
:- দেখো আনামিকা আমি তোমার সাথে আর রিলেসনটা রখতে পড়ছি না
:- কি বলছ তুমি।মাথা ঠিক আছে তোমার
:- হুম।কারন আমি আর একটা মেয়েকে ভালোবাসি( মিথ্য কথা বললাম)
:- নিল ফাজলামো করো না তো
:- আমি সত্যি বলিছি।আজ থেকে ব্রেকআফ
:- নিল আমার ভুলটা কি
:- তোমার কোনো ভুল নেই।আমি আর তোমার সাথে সম্পর্ক রাখব না
:- সত্যি রে জান তুই খব নিষ্টুর( কান্না করে)
:- ওকে বাই
এরপর বাসায় এসে রুম এর দরজা দিয়ে অনেক কান্না করেছিলাম।
অনেক কষ্ট করে সব কিছু সামলে উঠেছিলাম
আর সামলে ওঠার মূল কারন আমি কলেজ চেন্জ করে অন্য কলেজে ভর্তি হই
তখন থেকে আর অনামিকার সাথে দেখা হয়নি।আমি ওর বান্দুবি আপরিন এর থেকে ওর খোজ খবর নিতাম।তবে আমি কেনো ব্রেকআফ করছি তার সব কাহিনি আপরিন জানত।
ও হ্যা আপনাদের এসব বলতে বলতে আমার কাজ শেষ।
তাই সব ফাইল গুলো গুছিয়ে দিলাম এক ঘুম।
সকালে মায়ের ডাকে ঘুম ভেংগে গেল
মা:- বাবা অফিস যাবি না
আমি: হুম।মা
:- ৯ টা তো বাজে
:- কি
:- হুম
:-আমার আফিস ৮.৩০।
:- তুই তারাতারি ফ্রেস হয়ে আয়
তার পর আমি ফ্রেস না হয়েই আফিসের ফাইল গুলো নিয়ে অফিসে গেলাম।
একটু পর দেখি অনামিকা আমার কেবিনের দিকে আসতিছে
অনামিকা:- আফিস কয়টায়
আমি:- জি ৮.৩০ 
:- আপনি কখন আসছেন
:- ৯ .20
:- ঠাসসসসস,এটা আপনার বাবার অফিস না যে যখন মন চাইবে তখন আসবেন।ছোটলোকের বাচ্চাটারে চাকুরির দেওয়াই ভুল হয়েছে.
এসব বলে অনামিকা চলে গেল আর সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
ঠিক সেই মূহূত্বে চোখ থেকে ২ ফোটা জল আপন ইচ্ছাই মেঝেতে গড়িয়ে পড়ল
সবাই একসাথে বলল:- আপনি কি মেডাম এর শত্তু নাকি।আপনার কত পড়ে তো রকি সাহেব আসল কই ওনাকে তো কিছু বলল না।আর মেডাম তো কারো সাথে এত খারাপ ব্যাবহার করে না কিন্তু আপনি তো আবার নতুন তবুও এতো খারাপ ব্যাবহার করল কেনো( সবাই এক এক করে এসব কথা বলল)
এরপড় আমি আর কিছু না বলে কেবিনে বসে কাজ করতেছি
আবার একটু পড় রহিম চাচা এসে বলল 
:-মেডাম আপনাকে ফাইল নিয়ে ডাকতিছে
:- ওকে চাচা আপনি যান
:- বাবা তোমার উপর মেডাম খুব রেগে আছে একটু সাবধানে যেও
:- জি চাচা( মুসকি হাসি দিয়ে)
এর পড় আমি অনামিকার কেবিনে গেলাম।
অনামিকা:- ফাইল দে
:- জি নেন
একটু দেখে ফাইল গুলো আমার মুখের উপড় ছুড়ে মাড়ল
:- এসব কি।তুই তো কোনো কাজ এ ঠিক মতো করতে পারিস না।শুধু মেয়েদের জিবন নিয়ে ছিনিমিনি করতে পরিস না।
একথা বলেই ঠাসসসসসসস
:- দেখেন আপনি আমাকে যে ফাইল গুলো দিছেন সেগুলো তো আমার কাজ না
:- না হলে ও তোকে করতে হবে
:- অনামিকা তুমি কি আমার উপড় প্রতিশোধ নিচ্ছো
:- না তোকে শিকখা দিচ্ছি
:- তাহলে আমি আর এ চাকুরি করব না
:- তাহলে ১০০০০০ টাকা দে
:- কিসের
:- কাল তুই যে পেপাড় টায় সাইন করছিস ওটায় লিখা ছিল যে আমি যদি ১ বছর এর আগে চাকুরি ছেড়ে দেই তাহলে আমাকে ১০০০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
একথা শুনে তো আমি অবাক কারন এত টাকা আমি কোনো দিন ও দিতে পাড়ব না
এমন সময় অনামিকা বলল
:- কিরে কি ভাবিস
:- কিছু না
:- যা আমার চোখের সামন থেকে দূর হ
:- একটা কথা বলি
:- হুম
:- তুমি তো আমাক অনেক ভালোবাসতা তাহলে এতো কষ্ট দিচ্ছো কেনো
:- তুই ও তো আমাক কম কষ্ট দিস নাই
:- আমি তোমাকে কোনো কষ্ট দেই নাই
:- তাহলে আমাকে রেখে চলে গেছলি কেনো অন্য মেয়ের সাথে প্রেম করতে
:- সময় হলে জানতে পড়বে

চলবে,,,,,,,,

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ