Recents in Beach

পাঠ: শেষ ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, লেখক: জিন্দা লাস

 আদুরি বউ

পাঠ: শেষ

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

লেখক: জিন্দা লাস

::::::::::::::::::::::
এরপর আমি মীমকে একটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে একটি কপালে একটি ভালোবাসার কিস করে বাইক স্টার্ট করে আবার আমার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম 
ও আপনাদেরকে তো বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম মিম দের বাসায় অনেক সুন্দর করে ডেকোরেশন করা হয়েছে মনে হচ্ছে যেন কোন রাজধানী বা কোন রাজার এক মেয়ের বিয়ে 
আপনাদেরকে মিমদের বাসার কথা বলতে বলতে আমি আমাদের বাসায় চলে আসলাম
আমার বাসায় এসে তো অবাক
কারণ বাসায় এসে দেখি অনেক আত্মীয়-স্বজন এ ভর্তি আমাদের বাসা 
তাই আমি কারো সঙ্গে কথা না বলে সোজা আমার রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম 
ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে দেখি নীল আমার রুমে

নিলাঃভাইয়া তুই কারো সঙ্গে কথা বলি না কেন 
আমিঃপাগলী দেখিনা কাজে ঘাম বের হচ্ছে তাই ফ্রেশ হতে আসলাম 
নীলাঃ ও নানু ভাই তোকে ডাকছে 
আমিঃওকে তুই যা আমি চেঞ্জ করে আসছি
নীলাঃ ওকে তাড়াতাড়ি আয়
আমিঃওকে 
এরপর আমি ফ্রেশ হয়ে ফিরে এসে নীচে চলে গেলাম 
আমিঃ আরে নানু ভাই যে 
নানুঃকিরে কি খবর তোর 
আমিঃনানু ভাই অনেকদিন তোমার সাথে সিগারেট খাওয়া হয়না 
নানুঃ হ্যাঁরে 
আমিঃনানু তুমি ছাদে যাও আমি সিগারেট নিয়ে আসতেছি 
নানুঃওকে তাড়াতাড়ি আসিস বাসায় অনেক কাজ আছে 
এরপর আমি গেলে সোজা ছাদে চলে গেলাম নানুর কাছে 
আমিঃনানু আনছি 
নানুঃতাড়াতাড়ি খেতে হবে 
এরপর আমি আর নানু মিলে তাদের সিগারেট খেয়ে আবার বাসার নিচে চলে আসলাম কাজ করতে
এরপর আমার মামাতো ভাই বোনেরা মিলে বিয়ের যত কাজ আছে সব সম্পূর্ণ করলাম 
কাজ করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে গেল তাই সবাই রাতের খাবার খেয়ে আবার সবাই মিলে আড্ডায় মেতে উঠলাম 
নানা গল্প করছে আর আমরা সকল ভাই বোনেরা মিলে তার গল্প শুনছি 
এরপর গল্প করতে করতে রাত বারোটা বেজে গেল 
তাই সবাই সবার রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম
সকালে আগের মতনই নীরার নাকি ঘুম ভেঙ্গে গেল 
নিলাঃ ভাইয়া উঠে নাস্তা করেনি 
আমিঃ ওকে তুমি যা আমি ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করব এখন 
নীলা চলে যাওয়ার পর ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে নিলাম 
এরপর অনেক কাজ করতে করতেই মিমদের বাসা থেকে আমাদেরকে নিতে আসলো 
অতঃপর সবাই মিলে নিম্নের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম 
প্রত্যেক বিয়ের বাড়িতেই যেমন গেট ধরে আমাদের কেও তেমন গেটে আটকালো
এরপর আমার এক দুলাভাই গেটে দাঁড়ানো শালীদের কে কিছু টাকা দিলে দিয়ে বিদায় করে দিল 
অতঃপর বিয়ের সকল কার্যক্রম শেষ করে খাওয়া-দাওয়া করে আবার আমাদের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম 
নীলা এবং আমার কিছু মামাতো বোন মিলে মীমকে আমার রুমে নিয়ে গেল 
আর আমি নানার সঙ্গে ছাদে গিয়ে আড্ডা দিতে লাগলাম 
রাত 12 টার দিকে বাসায় আসলো
বাবা নানুকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই বলল নিল অনেক রাত হয়েছে রুমে যাও বাবা 
এরপর নানুর আমি নিচে চলে আসলাম 
নানু আমাকে বাসর ঘরে পাঠিয়ে দিয়ে নিজে ড্রয়িং রুমে ঘুমাতে গেল 
আমি রুমে ঢোকার সাথে সাথেই নিমেষে আমার পাঞ্জাবির কলার চেপে ধরল
মিম ঃকুত্তা কই ছিলি এতক্ষন 
আমি ঃছাদে ছিলাম 
মিমঃ এখন আমাকেও নিয়ে যেতে হবে 
আমিঃ ওকে চলো 
মিমঃ আমার না পা টা খুব ব্যথা করতেছে 
আমিঃ তো এখন কি করতে হবে 
মিমঃ কোলে করে নিয়ে যেতে হবে 
আমিঃ বুঝেছি কোলে চড়ার বাহানা 
মিমঃ বুঝতে পারছ এত কাহিনী করো কেন 
আমিঃওকে নিচ্ছি 
এরপর আমাকে কোলে করে ছাদে নিয়ে গেলাম
মিম:রাতে চাঁদ দেখছে আর আমি মীমকে দেখেছি 
মিম :ওই চাঁদ দেখো 
আমি :তুমিতো আরে চাঁদের চেয়ে কম সুন্দর নও তাই তোমাকেই দেখছি
মিম :থাকা ঢং করা লাগবে না 
আমিঃসত্যি বলছি তুমি চাঁদের চেয়েও সুন্দর 
মিমঃওকে চলো এখন রুমে যাবো
এরপর মীমকে আবার কোলে করে রুমে নিয়ে এসে বেডে শুয়ে দিলাম 
মিম :ওই আমার একটা বেবি লাগবে 
আমি :তাই বুঝি 
মিম :হুম 
আমি :ওকে তাহলে এখন একটা বেবি নেওয়ার মিশনে নেমে যাই 
মিমঃনা আগে লাইট অফ করো 
আমিঃ কেন লাইট জলা থাকলে সমস্যা কি 
মিমঃযা দুষ্টু আমার আমার লজ্জা করেনা বুঝি 
এরপর রুমের লাইট নিভিয়ে এসে মীমের সঙ্গে ভালোবাসার গভীর সমুদ্রে ভাসতে লাগলাম 
,,,,,,,,এ ভাই এখনো কি করিস গল্প শেষ,,,, 
,,,সমাপ্ত,,,

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ