🙄মিস্টার খ্যাত 😯
,,,,,,,,,❤❤❤❤❤❤,,,,,,,
লেখকঃমিনহাজুল ইসলাম নিল
🙄🙄🙄🙄🙄🙄
পর্বঃ 3
মাঃ কিরে শপিং হল
নীলাঃ হুম
মাঃ নিল কিছু কিনে নি
নিলাঃ না
ওকে তোরা ফ্রেশ হয়ে আয় আমি খেতে দিচ্ছি
এরপর আমি ফ্রেশ হতে গেলাম নিলাও গেলো ফিরে এসে খাওয়া-দাওয়া করে খেলতে গেলাম মাঠে
সাজ্জাদ ভাইঃ নীল তোকে সেই লাগে রে এখন
আমিঃ ভাইয়ার লজ্জা দিও না কিন্তু
সাজ্জাদ ভাইঃ সত্যি বলছি রে
আমিঃ ওকে ঠিক আছে এখন চলতেছে খেলা শুরু করি
এরপর আমরা খেলা শুরু করলাম
খেলা করে বাসায় চলে আসলাম
বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে পড়তে বসলাম
পড়া শেষে ঘুমিয়ে গেলাম ঘুমের দেশে কিন্তু ঘুম আর হলো কই আবার ওই রাইসার ফোনে ঘুম ভেঙ্গে গেল
আমিঃ হ্যালো ফোন দিয়েছো কেন
রাইসাঃ নীল প্লিজ আমাকে ভুল বুঝো না একটু কথা বলো
আমিঃ কি কথা বলবো তোমার সাথে
রাইসাঃ তোমাকে কিছু বলতে হবেনা আমি যা বলব তুমি তার উত্তর দিবা
আমিঃ ওকে
রাইসাঃ কি করো
আমিঃ এইতো ঘুমাতে যাচ্ছিলাম তখনই তুমি ফোন দিলা
রাইসাঃ মহারাজের মনের ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিলাম নাকি😃😃
আমিঃ হুম 🤬🤬
রাইসাঃ আচ্ছা নিল আমি কি তোমার প্রথম ভালোবাসা
আমিঃ হুম
রাইসাঃ তাহলে আমাকে মেনে নিচ্ছ না কেন
আমিঃ কারন তুমি আমাকে নয় আমাদের স্মার্টনেস কে ভালোবাসো। আর এরপর আমার থেকে ভালো স্মার্ট একটা ছেলে পেলে তার পেটে রিলেশন করবে আমাকে ছেড়ে
রাইসাঃ নীল তোমারে ধারণা ভুল তুমি আমার প্রথম ভালোবাসা তোমাকে প্রথম দেখেই আমি ভালোবেসে ফেলেছি কিন্তু যখন তুমি আনস্মার্ট ছিলে তখন তোমাকে সহ্য করতে পারতাম না কিন্তু যেদিন তুমি স্মার্ট হয়ে প্রথম কলেজে এসেছিলে সেদিন তোমাকে দেখেই আমি ভালোবেসে ফেলেছি
আমিঃ হুম সেটাই তো বললাম তুমি আমার স্মার্টনেস কে ভালোবাসো
রাইসাঃ নীল ভাল হচ্ছেনা কিন্তু
আমিঃ ঠিকই তো বললাম এতে রাগ হওয়ার কি আছে
রাইসাঃ অনেক কিছু
আমি' কি অনেক কিছু জানতে পারি
রাইসাঃ তুমি আমার ভালোবাসাকে অস্বীকার করছ
আমিঃ সরি
রাইসাঃ ওকে এখন লক্ষ্মী ছেলের মত যাও ঘুমিয়ে পড়ো কাল কথা হবে
আমি ওকে বাই গুডনাইট টেক কেয়ার
এরপর ঘুমিয়ে পড়লাম সকালে নীলার ডাকে ঘুম ভেঙে গেল
মাঃ কিরে শপিং হল
নীলাঃ হুম
মাঃ নিল কিছু কিনে নি
নিলাঃ না
ওকে তোরা ফ্রেশ হয়ে আয় আমি খেতে দিচ্ছি
এরপর আমি ফ্রেশ হতে গেলাম নিলাও গেলো ফিরে এসে খাওয়া-দাওয়া করে খেলতে গেলাম মাঠে
সাজ্জাদ ভাইঃ নীল তোকে সেই লাগে রে এখন
আমিঃ ভাইয়ার লজ্জা দিও না কিন্তু
সাজ্জাদ ভাইঃ সত্যি বলছি রে
আমিঃ ওকে ঠিক আছে এখন চলতেছে খেলা শুরু করি
এরপর আমরা খেলা শুরু করলাম
খেলা করে বাসায় চলে আসলাম
বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে পড়তে বসলাম
পড়া শেষে ঘুমিয়ে গেলাম ঘুমের দেশে কিন্তু ঘুম আর হলো কই আবার ওই রাইসার ফোনে ঘুম ভেঙ্গে গেল
আমিঃ হ্যালো ফোন দিয়েছো কেন
রাইসাঃ নীল প্লিজ আমাকে ভুল বুঝো না একটু কথা বলো
আমিঃ কি কথা বলবো তোমার সাথে
রাইসাঃ তোমাকে কিছু বলতে হবেনা আমি যা বলব তুমি তার উত্তর দিবা
আমিঃ ওকে
রাইসাঃ কি করো
আমিঃ এইতো ঘুমাতে যাচ্ছিলাম তখনই তুমি ফোন দিলা
রাইসাঃ মহারাজের মনের ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিলাম নাকি😃😃
আমিঃ হুম 🤬🤬
রাইসাঃ আচ্ছা নিল আমি কি তোমার প্রথম ভালোবাসা
আমিঃ হুম
রাইসাঃ তাহলে আমাকে মেনে নিচ্ছ না কেন
আমিঃ কারন তুমি আমাকে নয় আমাদের স্মার্টনেস কে ভালোবাসো। আর এরপর আমার থেকে ভালো স্মার্ট একটা ছেলে পেলে তার পেটে রিলেশন করবে আমাকে ছেড়ে
রাইসাঃ নীল তোমারে ধারণা ভুল তুমি আমার প্রথম ভালোবাসা তোমাকে প্রথম দেখেই আমি ভালোবেসে ফেলেছি কিন্তু যখন তুমি আনস্মার্ট ছিলে তখন তোমাকে সহ্য করতে পারতাম না কিন্তু যেদিন তুমি স্মার্ট হয়ে প্রথম কলেজে এসেছিলে সেদিন তোমাকে দেখেই আমি ভালোবেসে ফেলেছি
আমিঃ হুম সেটাই তো বললাম তুমি আমার স্মার্টনেস কে ভালোবাসো
রাইসাঃ নীল ভাল হচ্ছেনা কিন্তু
আমিঃ ঠিকই তো বললাম এতে রাগ হওয়ার কি আছে
রাইসাঃ অনেক কিছু
আমি' কি অনেক কিছু জানতে পারি
রাইসাঃ তুমি আমার ভালোবাসাকে অস্বীকার করছ
আমিঃ সরি
রাইসাঃ ওকে এখন লক্ষ্মী ছেলের মত যাও ঘুমিয়ে পড়ো কাল কথা হবে
আমি ওকে বাই গুডনাইট টেক কেয়ার
এরপর ঘুমিয়ে পড়লাম সকালে নীলার ডাকে ঘুম ভেঙে গেল
নিলাঃ ভাইয়া তাড়াতাড়ি ওঠ
আমিঃ কেন
নীলাঃ কলেজ যেতে হবে না
আমিঃ ও তাই তো
নিলাঃ হুম তাড়াতাড়ি ওঠ তোর জন্য আমি নাস্তা তৈরি করে বসে আছি
আমিঃ ওকে
আমিঃ কেন
নীলাঃ কলেজ যেতে হবে না
আমিঃ ও তাই তো
নিলাঃ হুম তাড়াতাড়ি ওঠ তোর জন্য আমি নাস্তা তৈরি করে বসে আছি
আমিঃ ওকে
এরপর আমি বিছানা থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কলেজ যাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়ে নাস্তার টেবিলে গেলাম
গিয়ে দেখি নীলা নাস্তা তৈরি করে রেখেছে
নীলাঃ তাড়াতাড়ি খাবার গিল অনেক লেট হয়ে গেছে
আমিঃ আরে বাবা আর কত তাড়াতাড়ি খাব
নীলাঃ ওকে তাড়াতাড়ি খা
আমিঃ আরে বাবা আর কত তাড়াতাড়ি খাব
নীলাঃ ওকে তাড়াতাড়ি খা
এরপর আমি খাওয়া শেষ করে নিলাকে নিয়ে কলেজের দিকে রওনা দিলাম
প্রথমে নীলাকে ওর কলেজে নামিয়ে দিয়ে আমার কলেজে গেলাম গিয়ে দেখি সবাই ক্লাসে ঢুকে পড়েছে আমি লেট করে ফেলেছি 10 মিনিট
প্রথমে নীলাকে ওর কলেজে নামিয়ে দিয়ে আমার কলেজে গেলাম গিয়ে দেখি সবাই ক্লাসে ঢুকে পড়েছে আমি লেট করে ফেলেছি 10 মিনিট
স্যারঃ কি ব্যাপার আজ তোমার লেট হল কেন
আমিঃ মানে স্যার ঘুম থেকে উঠতে একটু লেট হয়ে গেছে
স্যারঃ ওকে যাও বস আর জন্য এমন না হয়
আমিঃ ওকে স্যার
আমিঃ মানে স্যার ঘুম থেকে উঠতে একটু লেট হয়ে গেছে
স্যারঃ ওকে যাও বস আর জন্য এমন না হয়
আমিঃ ওকে স্যার
কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস রাইসার পাশের বাসা ছাড়া আর কোন উপায় নেই কারণ সব সিট ব্লক
তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই রাইসার পাশে বসলাম
রাইসাঃ কি ব্যাপার স্যার আজ এত লেট কেন
আমিঃ তোমাকে কি আলাদা করে বলতে হবে
রাইসাঃ কি ব্যাপার মহারাজ আমার উপর কি রেগে আছেন
আমি ক্লাস করতে দাও না হলে কিন্তু বেরিয়ে যাব বেশি কথা বললে
রাইসাঃ ওকে মন দিয়ে ক্লাস করেন আর আমাকে আমার কাজ করতে যান
আমিঃ তোমার কাজ মানে
রাইসাঃ কিছুনা ক্লাস করো মন দিয়ে
আমিঃ তোমাকে কি আলাদা করে বলতে হবে
রাইসাঃ কি ব্যাপার মহারাজ আমার উপর কি রেগে আছেন
আমি ক্লাস করতে দাও না হলে কিন্তু বেরিয়ে যাব বেশি কথা বললে
রাইসাঃ ওকে মন দিয়ে ক্লাস করেন আর আমাকে আমার কাজ করতে যান
আমিঃ তোমার কাজ মানে
রাইসাঃ কিছুনা ক্লাস করো মন দিয়ে
এরপর আমি ক্লাস করতে লাগলাম কিন্তু শান্তিতে কেলাস করতে পারলাম না কারণ আমার হাতের উপর রাইখা হাত রেখে শক্ত করে ধরে আছে
আমিঃ রাইসা সবাই দেখছি কিন্তু ছেড়ে দাও সিনক্রিয়েট করিও না
রাইসাঃ সবাই দেখছে তো কি হয়েছে স্যার তো আর দেখছে না
আমিঃ হুম কিন্তু তুমি আমার হাত থেকে হাত নামাও
রাইসাঃ নীল বেশি কথা বললে কিন্তু চিৎকার করে বলবো তুমি আমার গায়ে হাত দিয়েছো
তাই কোন উপায় না পেয়ে রাইসার অত্যাচার সহ্য করতে হলো
অতঃপর রাইসার সকল অত্যাচার শেষ করে অবশেষে ক্লাস শেষ হলো
রাইসাঃ সবাই দেখছে তো কি হয়েছে স্যার তো আর দেখছে না
আমিঃ হুম কিন্তু তুমি আমার হাত থেকে হাত নামাও
রাইসাঃ নীল বেশি কথা বললে কিন্তু চিৎকার করে বলবো তুমি আমার গায়ে হাত দিয়েছো
তাই কোন উপায় না পেয়ে রাইসার অত্যাচার সহ্য করতে হলো
অতঃপর রাইসার সকল অত্যাচার শেষ করে অবশেষে ক্লাস শেষ হলো
মনে হল যেন আমি এর মুক্তি পেলাম রাইসার এর হাত থেকে
ক্লাস শেষ হওয়ার সাথে সাথে আমি ক্লাস থেকে বেরিয়ে মাঠে গিয়ে বসলাম
আমার পিছন পিছন রাফিও আসলো
রাফিঃ কি মামা অনেক মজা পাইলা তো
আমিঃ চুপ স্যার দেখলে কি হত জানিস
রাফিঃ হুম
আমিঃ দোস সিগারেট নিয়ে আয়
রাফিঃ ওকে তুই পুকুর পাড়ে যা আমি নিয়ে আসছি
আমিঃ ওকে যা
আমিঃ চুপ স্যার দেখলে কি হত জানিস
রাফিঃ হুম
আমিঃ দোস সিগারেট নিয়ে আয়
রাফিঃ ওকে তুই পুকুর পাড়ে যা আমি নিয়ে আসছি
আমিঃ ওকে যা
এরপর রাফি সিগারেট আনতে গেল আর আমি পুকুর পাড়ে গিয়ে বসলাম কারণ পুকুরপাড় তা হচ্ছে সবচেয়ে সেভ জায়গা সিগারেট খাওয়ার জন্য
একটু পরে রাফি সিগারেট নিয়ে আসলো
আমিঃ কয়টা আনছিস
রাফিঃ দুইটা
আমিঃ ওকে দে
রাফিঃ দুইটা
আমিঃ ওকে দে
আমরা দুজনেই মনের সুখে সিগারেট খেতে লাগলাম
সিগারেট খাওয়া শেষ হওয়া মাত্রই দেখলাম রাইসা আমাদের দিকে আসতেছে
রাইসাঃ এখানে কি করো
আমিঃ দেখতেছি না বসে আছি
রাইসাঃ হুম তা তো দেখতেই পাচ্ছি কিন্তু এখানে তো কোন ভাল মানুষ বসেনা সবগুলান সিগারেট করে গাঁজাখোর এখানে বসে থাকে
আমিঃ তাহলে মনে করে আমরাও সিগারেট করে গাজা খোর
রাইসাঃ আর যদি কোনদিন এখানে বসা দেখি তো খবর আছে
আমি তুমি আমার কি লাগজে আমার খবর করবা
রাইসাঃ জিএফ লাকি জিএফ
আমিঃ কিন্তু আমার তো কোন জিএফ নাই
রাইসাঃ কুত্তা যেদিন প্রপোজ করেছিলি সেদিন মনে ছিল না জিএফ আছে না নাই
আমিঃ যেদিন প্রপোজ করেছিলাম কিন্তু থাপ্পড় মারছিল
রাইসাঃ আমার জান তাকে আমি থাপ্পর মারি তাতে তোর কিরে
আমিঃ বা আমার গালে থাপ্পড় মেরেছে আর আমার কিছু না
রাইসাঃ না
আমিঃ ওকে এখন যাও
রাইসাঃ কোথায় যাব
আমিঃ বাসায় যাও
রাইসাঃ তুমি আমাকে নিয়ে যাবা
আমিঃ রকিকে বলো নিজেতে
আর যদি তুমি আমাকে নিয়ে না জাও তাহলে এখানে চিৎকার করে বলব যে তুমি আমাকে এখানে জোর করে নিয়ে এসো আর বুঝতেই তো পারছো এখানে যদি আমি লোকজন জড়ো করে তাহলে তোমার কি অবস্থা হবে
আমিঃ ব্ল্যাকমেল করছো
রাইসাঃ মনে করো তাই
আমিঃ ওকে তুমি আমার বাইকের কাছে যাও আমি আসতেছি
রাইসাঃ ওকে তাড়াতাড়ি আসো
আমিঃ দেখতেছি না বসে আছি
রাইসাঃ হুম তা তো দেখতেই পাচ্ছি কিন্তু এখানে তো কোন ভাল মানুষ বসেনা সবগুলান সিগারেট করে গাঁজাখোর এখানে বসে থাকে
আমিঃ তাহলে মনে করে আমরাও সিগারেট করে গাজা খোর
রাইসাঃ আর যদি কোনদিন এখানে বসা দেখি তো খবর আছে
আমি তুমি আমার কি লাগজে আমার খবর করবা
রাইসাঃ জিএফ লাকি জিএফ
আমিঃ কিন্তু আমার তো কোন জিএফ নাই
রাইসাঃ কুত্তা যেদিন প্রপোজ করেছিলি সেদিন মনে ছিল না জিএফ আছে না নাই
আমিঃ যেদিন প্রপোজ করেছিলাম কিন্তু থাপ্পড় মারছিল
রাইসাঃ আমার জান তাকে আমি থাপ্পর মারি তাতে তোর কিরে
আমিঃ বা আমার গালে থাপ্পড় মেরেছে আর আমার কিছু না
রাইসাঃ না
আমিঃ ওকে এখন যাও
রাইসাঃ কোথায় যাব
আমিঃ বাসায় যাও
রাইসাঃ তুমি আমাকে নিয়ে যাবা
আমিঃ রকিকে বলো নিজেতে
আর যদি তুমি আমাকে নিয়ে না জাও তাহলে এখানে চিৎকার করে বলব যে তুমি আমাকে এখানে জোর করে নিয়ে এসো আর বুঝতেই তো পারছো এখানে যদি আমি লোকজন জড়ো করে তাহলে তোমার কি অবস্থা হবে
আমিঃ ব্ল্যাকমেল করছো
রাইসাঃ মনে করো তাই
আমিঃ ওকে তুমি আমার বাইকের কাছে যাও আমি আসতেছি
রাইসাঃ ওকে তাড়াতাড়ি আসো
এরপর আমি রাফি কে বিদায় জানিয়ে বাইকের কাছে আসলাম
এসে দেখিয়ে রাইসা বাইকে বসে আছে তাই আমি আর লেট না করে বাইকে স্টার্ট দিয়ে রাইসা কে নিয়ে বাসার দিকে যেতে লাগলাম
কিন্তু এমন সময় চোখ পরল পাশে বসে থাকা দুজন মানুষের দিকে যা দেখে আমি বাইক এক্সিডেন্ট করার মত অবস্থা
লোক দুজনকে তা জানতে চাইলে পাশে থাকুন
কিন্তু এমন সময় চোখ পরল পাশে বসে থাকা দুজন মানুষের দিকে যা দেখে আমি বাইক এক্সিডেন্ট করার মত অবস্থা
লোক দুজনকে তা জানতে চাইলে পাশে থাকুন
চলবে,,,

0 মন্তব্যসমূহ