Recents in Beach

মিস্টার খ্যাত 😯 ,,,,,,,,,❤❤❤❤❤❤,,,,,,, লেখকঃ মিনহাজুল ইসলাম নিল 🙄🙄🙄🙄🙄🙄 পর্বঃ 1

মিস্টার খ্যাত 😯
,,,,,,,,,,,,,,,,
লেখকঃ মিনহাজুল ইসলাম নিল
🙄🙄🙄🙄🙄🙄
পর্বঃ 1
আমি নীল বাবা-মার একমাত্র সন্তান এবার ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি খুব সাধারন একজন ছেলে কারো সাথে তেমন কথা বলিনা নিজের মতই চলি আর সব সময় সবার থেকে আলাদা আলাদা থাকি তাই কলেজে সবাই আমাকে এত বলে ডাকে আর খ্যাত বলে ডাকার একটা কারণ আছে কারণ আমার মুখে দাড়ি ভর্তি আর ঢোলা ঢোলা শার্ট প্যান্ট পরি এসবের কারণে রাশি ছাড়া আর কেউ আমার সঙ্গে মিশিয়েও না আর আমিও কারো সঙ্গে মিশি না আমার বাবা একজন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির মালিক কিন্তু এত ধনী পরিবারের ছেলে হওয়া সত্ত্বেও কেউ জানে না যে আমার বাবা এত ধনী আমি সব সময় নিজেকে সাধারণ এবং গরীব হিসেবেই পরিচয় দিয়ে থাকি কারণ ধনী আর গরিবের মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারিনা আমি জানি সবাই সমান সবাই একই আল্লাহর সৃষ্টি
আজ আমাদের কলেজে একজন নতুন মেয়ে এসেছে অন্য কলেজ থেকে এডমিশন নিয়ে মেয়েটা দেখতে অনেক সুন্দর তার রূপের কোন তুলনাই হয়না কোন কবি যদি আমাকে দেখতো নিশ্চিত তার রূপ নিয়ে একটি কবিতা লিখবো কলেজের সবাই তার প্রেমে প্রথম দেখাতেই হাবুডুবু খাচ্ছে কিন্তু আমি যে খাচ্ছি না তা নয় আমিও প্রথম দেখাতেই মেয়েটাকে ভালোবেসে ফেলেছি
আমাদের কলেজের অন্য সব স্মার্ট ছেলেরা যেখানে ওই মেয়েকে ভালোবেসে সেখানে আমার মত একজন খ্যাত ছেলে ওই মেয়েকে প্রপোজ করলে হয়তো বা থাপ্পর দিয়ে দাত সব ফালাই দিতে পারে
রোজকার মত প্রতিদিন কলেজ শেষ করে আজকেও আমি বাসায় এলাম
মাঃ কিরে কখন আসলি কলেজ থেকে
আমিঃএইতো মা একটু আগে
মাঃ যা ফ্রেশ হয়ে আয় আমি তোকে খেতে দিচ্ছি
আমিঃ ওকে মা নীলা কই
মাঃ নীলা একটু শপিং করতে গেছে যা তুই ফ্রেশ হয়ে আয় গা থেকে ঘাম বের হচ্ছে
আমিঃওকে মা
এরপর আমি ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিচে আসলাম
আমিঃমা ও মা
মাঃ হুম
আমিঃ খেতে দাও খিদা লাগছে
মা ঃ টেবিলে বস আমি দিচ্ছি
আমিঃ ওকে মা
এরপর মা খাবার বেড়ে দিল আমি খেয়ে দিয়ে বিকেলে খেলতে গেলাম
তবে এটা কথা সত্যি আমি গ্রামে সকল ছেলের সঙ্গে মিশি কিন্তু কলেজের কারো সঙ্গেই বেশি না কারন গ্রামের সকলেই আমার বড় ভাই তারা আমাকে বুঝে আমার এইরকম খ্যাত থাকার কারণটা জানে
আসলে আমার এরকম থাকার কারণ হচ্ছে আমাকে ওরকম বড়লোকি টাইপের ছেলেদের মত চলতে ইচ্ছা করে না কারণ আমি সবসময় সবার মত স্বাভাবিক একজন মানুষ হিসেবে জীবনযাপন করতে চাই
,,,,,,
অতঃপর গ্রামের মাঠে গিয়ে সকল ভাইদের সঙ্গে সালাম ও কুশল বিনিময় করে খেলতে শুরু করলাম
খেলা শেষে বাসায় চলে আসলাম
বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে নিজের রুমে গিয়ে পড়তে বসলাম
রাত দশটার পর নীলার ডাক
নিলাঃভাইয়া খেতে আয়
আমিঃ যাচ্ছি বোন
এরপর রাতের খাওয়া দাওয়া করতে গেলাম রাতের খাওয়া শেষ করে আবার রুমে এসে একটু পরে ঘুমিয়ে পরলাম
সকালে উঠে আবার ফ্রেস হয়ে একটু পড়ালেখা করে কলেজে গেলাম
এভাবেই কেটে যাচ্ছিল দিন
,,,এক মাস পর,,,
এই এক মাসে অনেক ছেলেই ওই মেয়েটাকে প্রপোজ করেছে কিন্তু কারো প্রপোজ একসেপ্ট করেনি
ও সরি আপনাদেরকে তো মেয়েটার আমি বলতে ভুলে গেছি মেয়েদের নাম হচ্ছে রাইসা
আমি যে তাই সাথে পছন্দ করতাম সেটা আমার গ্রামের বড় ভাইরা ও জানতো
হঠাৎ একদিন রাফি বলল
রাফিঃ দোস রাইসা কে প্রপোজ কর
আমিঃ না দোস
রাফিঃ প্রপোজ কর দেখবি একসেপ্ট করবে
আমিঃতুই কি করে জানলি
রাফি ঃআরে প্রপোজ করে দেখ
আমিঃ ওকে কাল কলেজ গিয়ে প্রপোজ করবো তুই আমার সঙ্গে থাকিস
রাফিঃ ওকে
এরপর দিন কলেজে গিয়ে রাফি আমাকে একটা গোলাপ কিনে দিল রাখি বললো এই গোলাপটা নিয়ে রাইসা কে প্রপোজ কর দেখবি ইনশাআল্লাহ একসেপ্ট করবে
এরপর রাফি দেওয়া ফুল নিয়ে রাইসার সামনে
গিয়ে হাঁটু গেড়ে রাইসার সামনে গোলাপ ফুল ধরে এক নিশ্বাসে বললাম আই লাভ ইউ রাইসা
,,,,চলবে,,,,,

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ